অস্ট্রেলিয়ার বন্ডাই সৈকতে সংঘটিত হামলার পর দেশটির সরকার বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই হামলায় ১৫ জন নিহত এবং ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, দেশটিতে বর্তমানে ৪০ লাখের বেশি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে, যা পোর্ট আর্থার গণহত্যার সময়কার সংখ্যার চেয়েও বেশি। তিনি বলেছেন, এই সন্ত্রাসীদের একজনের কাছে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ছিল এবং সিডনির শহরতলিতে বসবাস করার পরও তার কাছে ছয়টি বন্দুক ছিল।
অস্ট্রেলিয়ান ফেডারেল পুলিশ কমিশনার ক্রিসি ব্যারেট বলেছেন, বন্দুকের সংখ্যা কমাতে হলে বাইব্যাক কর্মসূচি সেই সমাধানের অংশ হতেই হবে। নতুন এই কর্মসূচির আওতায় অতিরিক্ত, সদ্য নিষিদ্ধ ও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সরকার কিনে নেবে।
জাতীয় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন সর্বোচ্চ কতটি আগ্নেয়াস্ত্র রাখতে পারবেন তার সীমা নির্ধারণ করা হবে, অনির্দিষ্টকাল মেয়াদের আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স সীমিত করা হবে, কোন ধরনের বন্দুক বৈধ হবে তা নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স পেতে অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকত্ব প্রয়োজন হবে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে অস্ট্রেলিয়ায় বন্দুক নিয়ন্ত্রণ আইন আরও কঠোর হবে এবং সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি কমবে। এই পদক্ষেপটি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই হামলার পর, যা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর হামলাগুলোর মধ্যে একটি। এই হামলায় দুই বন্দুকধারী গুলি চালিয়েছিল, যার ফলে ১৫ জন নিহত এবং ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছে।
পুলিশ মনে করছে, হামলাকারীরা ‘ইসলামিক স্টেট মতাদর্শে’ অনুপ্রাণিত। পুলিশ শুক্রবার বলেছে, ‘চরমপন্থি ইসলামি মতাদর্শের’ অভিযোগে সিডনিতে আটক একদল পুরুষকে আটক রাখার আর কোনো কারণ নেই।
অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই হামলার পর, যা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর হামলাগুলোর মধ্যে একটি। এই হামলায় দুই বন্দুকধারী গুলি চালিয়েছিল, যার ফলে ১৫ জন নিহত এবং ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই হামলার পর, যা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর হামলাগুলোর মধ্যে একটি। এই হামলায় দুই বন্দুকধারী গুলি চালিয়েছিল, যার ফলে ১৫ জন নিহত এবং ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই হামলার পর, যা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর হামলাগুলোর মধ্যে একটি। এই হামলায় দুই বন্দুকধারী গুলি চালিয়েছিল, যার ফলে ১৫ জন নিহত এবং ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই হামলার পর, যা দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়ংকর হামলাগুলোর মধ্যে একটি। এই হামলায় দুই বন্দুকধারী গুলি চালিয়েছিল, যার ফলে ১৫ জন নিহত এবং ডজনখানেক মানুষ আহত হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার



