আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের দুই বিচারকের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এই দুই বিচারক হলেন জর্জিয়ার গোচা লর্ডকিপানিদজে এবং মঙ্গোলিয়ার এরদেনেবালসুরেন দামদিন। তারা আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের আপিল চেম্বারের সদস্য।
গত সপ্তাহে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের পরোয়ানার বিরুদ্ধে আবেদন করে। কিন্তু আদালত এটি প্রত্যাখ্যান করে দেয়। সোমবার আপিল চেম্বারের সংখ্যাগরিষ্ঠ বিচারকরা রায় দেন যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবরের পর গাজায় সংঘটিত অপরাধ তদন্ত অবৈধ— ইসরায়েলের এমন দাবি গ্রহণযোগ্য নয়।
এই আপিল চেম্বারের রায়কে ফিলিস্তিন সংক্রান্ত তদন্তে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই তদন্তের ফলেই গত বছরের নভেম্বরে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তার সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। ইসরায়েল যদি আপিলে জয়ী হতো, তাহলে ওই গ্রেপ্তারি পরোয়ানাগুলো বাতিল হয়ে যেত।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরায়েল এবং ফিলিস্তিনের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে বিতর্কের সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক আইনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ভূমিকা আরও গুরুত্বপূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সম্পর্ক পরিবর্তন হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সম্পর্কের একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য একটি নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত মানবাধিকার রক্ষার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে মানবতার জন্য একটি নতুন আশা তৈরি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এই সিদ্ধান্ত মানবতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।



