ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় দোনেতস্ক অঞ্চলে এক সৈনিকের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবার আজও ব্যথিত। সৈনিকের মা তার ছেলের মৃত্যুর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, তার ছেলের মৃত্যু একটি আত্মহত্যা হিসেবে ঘটেছে, কিন্তু তিনি এটা বিশ্বাস করতে পারছেন না।
ইউক্রেনে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে প্রায় ৪৫,০০০ সৈনিক প্রাণ হারিয়েছে। কিন্তু একটি অন্য ধরনের বিপর্যয় ঘটছে, যা খুব কম লোক জানে। সৈনিকদের মধ্যে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটছে, যা সরকার একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করছে। কিন্তু মানবাধিকার সংগঠন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলো বলছে, এই ধরনের ঘটনা সংখ্যা হয়তো শত শত।
সৈনিকের মা বলেন, তার ছেলেকে যুদ্ধে পাঠানোর আগে তার চোখের সমস্যা ছিল। কিন্তু পরে তাকে যুদ্ধে পাঠানো হয়। সেখানে তিনি হতাশা ও বিষণ্নতায় ভুগতে থাকেন। তার মা এখনও তার ছেলের জন্য প্রতিদিন চিঠি লেখেন, যা তার শোককে আরও বাড়িয়ে দেয়।
ইউক্রেনে আত্মহত্যা একটি সামাজিক বৈষম্য হিসেবে বিবেচিত হয়। যারা আত্মহত্যা করে, তাদের পরিবারকে কোনো ক্ষতিপূরণ, সামরিক সম্মান বা সরকারি স্বীকৃতি দেওয়া হয় না। সৈনিকের মা বলেন, ইউক্রেনে মানুষ দুই ভাগে বিভক্ত, যারা সঠিকভাবে মারা গেছে এবং যারা ভুলভাবে মারা গেছে।
ইউক্রেনের সরকারকে এই বিষয়ে সচেতন হতে হবে এবং সৈনিকদের মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতির জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। সৈনিকদের পরিবারকে সম্মান ও সমর্থন দেওয়া উচিত, নির্বিশেষে তারা কীভাবে মারা গেছে।



