থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কম্বোডিয়ার মঙ্গকোল বোরেই হাসপাতালে আহত সৈনিকরা চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। একজন সৈনিকের বাহু কাটা হয়েছে, তার স্ত্রী তার সাথে বসে আছেন। আরেকজন সৈনিকের স্ত্রী ও সন্তান তার বিছানার পাশে বসে আছেন।
এই সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। থাইল্যান্ডের বায়ুসেনা কম্বোডিয়ার অভ্যন্তরে বোমাবাজি করেছে, যার ফলে অনেক মানুষ আহত হয়েছে। কম্বোডিয়ার সৈনিকরা থাইল্যান্ডের সীমান্তে রকেট ছোড়েছে, যার ফলে একজন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে।
থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে তাদের ২১ জন সৈনিক নিহত হয়েছে। কম্বোডিয়ার সরকার তাদের সৈনিকদের মৃত্যুর সংখ্যা প্রকাশ করেনি। এই সংঘর্ষের কারণ স্পষ্ট নয়, তবে থাইল্যান্ড কম্বোডিয়ার সৈনিকদের দোষারোপ করেছে যে তারা ৭ই ডিসেম্বর থাই ইঞ্জিনিয়ারদের ওপর আক্রমণ করেছে।
এই সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি।
কম্বোডিয়ার সরকার থাইল্যান্ডের সাথে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছে। থাইল্যান্ডের সরকারও শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে।
এই সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি।
থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি। থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার সরকারকে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার জন্য একসাথে কাজ করা উচিত।
থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি। থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার সরকারকে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার জন্য একসাথে কাজ করা উচিত। এই সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি।
থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি। থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার সরকারকে শান্তিপূর্ণ সমাধান খুঁজে বের করার জন্য একসাথে কাজ করা উচিত। এই সংঘর্ষের ফলে উভয় দেশের মানুষ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। থাইল্যান্ড এবং কম্বোডিয়ার মধ্যে সীমান্ত সংঘর্ষের সমাধান খুঁজে বের করা জরুরি।



