দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের বিরুদ্ধে মার্কিন সরকারের কর্মকর্তাদের হয়রানির অভিযোগ এনেছে মার্কিন প্রশাসন। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, দক্ষিণ আফ্রিকার কর্মকর্তারা মার্কিন সরকারের কর্মকর্তাদের হয়রানি করছে এবং তাদের পাসপোর্টের তথ্য লিক করছে।
এই অভিযোগের পেছনে রয়েছে সাতজন কেনিয়ান নাগরিককে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বহিষ্কার করার ঘটনা। এই সাতজন কেনিয়ান নাগরিককে মার্কিন সরকারের সহায়তায় দক্ষিণ আফ্রিকায় আনা হয়েছিল আফ্রিকানার স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করার জন্য।
দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার বলছে, যারা পর্যটন ভিসায় দেশে প্রবেশ করেছে তারা কাজ করার অধিকার রাখে না। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, মার্কিন সরকারের কর্মকর্তারা দক্ষিণ আফ্রিকার কর্মকর্তাদের হয়রানির শিকার হয়েছেন।
দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তারা বলছে, কোনো মার্কিন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। দক্ষিণ আফ্রিকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, মার্কিন সরকার যারা কাজের জন্য নিয়োগ করেছে তাদের নিয়োগের প্রক্রিয়া সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে যাচ্ছে আফ্রিকানার কৃষকদের নির্যাতনের অভিযোগ আনছে। দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি সিরিল রামাফোসা এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
মার্কিন প্রশাসন আফ্রিকানার সম্প্রদায়ের সদস্যদের মার্কিন শরণার্থী প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্থানান্তর করছে। এটি এমন একটি সময়ে ঘটছে যখন মার্কিন প্রশাসন অন্যান্য জাতির শরণার্থীদের প্রবেশাধিকার সীমিত করে রাখছে।
এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ হতে পারে মার্কিন প্রশাসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে সম্পর্কের আরও বিষয়গত হয়ে উঠা। মার্কিন প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের উপর চাপ বাড়াতে পারে আফ্রিকানার কৃষকদের নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে।
মার্কিন প্রশাসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে যদি দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার আফ্রিকানার কৃষকদের নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেয়। মার্কিন প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে অর্থনৈতিক বা রাজনৈতিক হুমকির মাধ্যমে।
এই ঘটনার ফলে মার্কিন প্রশাসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে। মার্কিন প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে আফ্রিকানার কৃষকদের নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে। এই ঘটনার ফলে মার্কিন প্রশাসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে।
মার্কিন প্রশাসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে সম্পর্কের উপর এই ঘটনার প্রভাব পড়তে পারে। মার্কিন প্রশাসন দক্ষিণ আফ্রিকার সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে আফ্রিকানার কৃষকদের নির্যাতনের অভিযোগের বিষয়ে। এই ঘটনার ফলে মার্কিন প্রশাসন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে সম্পর্ক আরও উত্তপ্ত হতে পারে।



