কুমিল্লার হোমনা থানায় এক মহিলা পুলিশ হেফাজতে মৃত পড়েছেন। তার নাম হামিদা বা বাবিতা, ৩০ বছর বয়সী। তিনি হোমনা উপজেলার ঘানিয়ারচর গ্রামের খলিল মিয়ার স্ত্রী।
হামিদা তার ১১ বছর বয়সী সৎপুত্রকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। পরে তাকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি আত্মহত্যা করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
হোমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মর্শেদুল আলম চৌধুরী বলেছেন, হামিদা একটি শাড়ির টুকরো দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তার স্বামী সৌদি আরবে থাকেন।
হামিদার সৎপুত্রকে প্রথমে হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হামিদার মৃতদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য।
এই ঘটনায় হামিদার সৎপুত্রের মামা স্বপন মিয়া থানায় একটি মামলা করেছেন।
কুমিল্লা জেলা পুলিশের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল করিম বলেছেন, হামিদার সাথে তার চার বছর বয়সী সন্তানটি ছিল। তাই তাকে মহিলা ও শিশু সহায়তা ডেস্কে রাখা হয়েছিল। সেখানেই তিনি আত্মহত্যা করেন।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামিদার মৃতদেহ ময়না তদন্তের পর তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশ বলছে, হামিদার মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার স্বামী সৌদি আরবে থাকায় তার সাথে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না।
এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, হামিদার মৃত্যুর কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



