জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও কুমিল্লা-৪ দেবীদ্বার আসনে দলটির প্রার্থী হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, তাকে অনেকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে, মেরে ফেলবে বলে ভয় দেখাচ্ছে। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেন দেবীদ্বারের মা-বোনেরাই তাকে বাঁচানোর জন্য যথেষ্ট।
বৃহস্পতিবার কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী গণসংযোগ ও প্রচারণা’ শেষে সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার জাফরগঞ্জ ইউনিয়নের বারুর গ্রামে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, তারা প্রতিযোগিতা করবে, কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করবে না। তাদের মাঝে ভালো কাজের প্রতিযোগিতা থাকবে। তিনি আরও বলেন, অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা ফোন দিয়ে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, যারা আমাদের বিরোধিতা করছে তারা বুঝতে পেরেছে— তাদের টেন্ডারবাজির ব্যবসা, চাঁদাবাজির ব্যবসা, মামলাবাজির ব্যবসা আমরা বন্ধ করে দেব। এজন্যই তারা এখন আমাদের সঙ্গে বিরুদ্ধাচরণ শুরু করেছে।
এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন এনসিপির দেবীদ্বার উপজেলা সমন্বয়ক মো. জাহাঙ্গীর আলম, মাওলানা রায়হান সিদ্দিক, শামীম আহমেদ, সাজেদুল রাফসান প্রমুখ।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা কাউকে ফোন দেইনি, কাউকে ভয় দেখাইনি। আমরা কেন ভয় দেখাবো? ভয় দিয়ে ভালোবাসা জয় করা যায় না। বুলেট দিয়ে ভালোবাসা কেনা যায় না।
তিনি আরও বলেন, দেবীদ্বারের নারীরাই আমাকে প্রথমে সেভ করবে, এরপর আমার আশেপাশের মানুষজন। এমনকি বিএনপি ও জামায়াতের নেতারাও আমার জন্য ঢাল হয়ে দাঁড়াবে।
নেতাদের নাম বলতে পারব না, তবে দেবীদ্বারে যারা ফ্যাসিবাদবিরোধী লড়াইয়ের শক্তি, তারা প্রত্যেকেই আমার পাশে দাঁড়াবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমরা প্রতিযোগিতা করব, কোনো প্রতিহিংসার রাজনীতি করব না। আপনারা যার যার ভোট সে সে দেবেন। মারামারি করবেন না। যারা মারামারি করে, তাদের কাজই হলো মারামারি করে তাদের দলকে উপস্থাপন করা।
তিনি বলেন, মনে রাখবেন, যারা ভয় দেখায় তাদের গদি লইড়া যাইতেছে। এই কারণেই তারা ফোন দিয়ে ভয় দেখায়। আর মানুষ তখনই ভয় দেখায়, যখন সে নিজেই ভয় পায়।
হাসনাত আবদুল্লাহর এই বক্তব্য একটি নতুন রাজনৈতিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে। এটি দেখা যাবে যে তার এই বক্তব্য কীভাবে রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কেমন হবে তা দেখা যাবে। হাসনাত আবদুল্লাহর এই বক্তব্য রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া কী হবে তা দেখা যাবে। হাসনাত আবদুল্লাহর এই বক্তব্য রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি নতুন পরিস্থিতির সৃষ্টি করতে পারে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে বিকশিত হবে তা দেখা যাবে। হাসনাত আবদুল্লাহর এই বক্তব্য রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে।
এই ঘটনার পর রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিক্রিয়া কী হবে তা



