জাতীয় সংসদের সাবেক ডেপুটি স্পিকার মো. শামসুল হক টুকুর বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলার অনুমোদন দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। একই সাথে তাঁর ছেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এস এম নাসিফ শামস, আরেক ছেলে সাবেক মেয়র এস এম আসিফ শামস এবং পুত্রবধূর বিরুদ্ধে সম্পদ বিবরণী দাখিলের নোটিশ জারির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম আসব তথ্য বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দুদকের অনুসন্ধানে পাবনা-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শামসুল হক টুকুর বিরুদ্ধে ৩ কোটি ৫৯ লাখ ২৪ হাজার ১৮১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে।
টুকুর ছেলে এস এম নাসিফ শামস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি ইনিস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক। তাঁর বিরুদ্ধে ৫ কোটি ৬৪ লাখ ৫৮ হাজার ৩৯৫ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুদক। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ ৬ কোটি ৭৯ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা, যেখানে বৈধ আয় ১ কোটি ১৫ লাখ ৫ হাজার ৩৪৯ টাকা।
টুকুর বড় ছেলে ও বেড়া পৌরসভার সাবেক মেয়র এস এম আসিফ শামসের নামে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের পরিমাণ ২৬ কোটি ৬৬ লাখ ৬৮ হাজার ৫৪৩ টাকা। তাঁর মোট সম্পদ ২৬ কোটি ৬৯ লাখ টাকা হলেও বৈধ আয় পাওয়া গেছে মাত্র ৩ লাখ ৯৯ টাকা।
অবৈধ সম্পদের প্রকৃত তথ্য উদঘাটনের জন্য টুকুর দুই ছেলে ও পুত্রবধূকে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা মতে সম্পদ বিবরণী দাখিলের আদেশ জারির অনুমোদন দিয়েছে কমিশন। অভিযোগগুলো অনুসন্ধান করছেন দুদকের উপপরিচালক জনাব মো. আল-আমিন।
এই মামলার পরবর্তী আদালত পরিস্থিতি খুব শীঘ্রই জানা যাবে। দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের সংশ্লিষ্ট ধারা মতে এই মামলার বিচার চলবে। এই মামলার বিচারের ফলাফল খুব শীঘ্রই জানা যাবে।



