প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ বলেছেন, জুলাই বিপ্লব সংবিধানকে উল্টাতে চায়নি, বরং জাতির সংবিধানের সাথে সম্পর্ককে পরিশোধিত করতে চেয়েছে। তিনি বলেছেন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সাড়া দেওয়া – এই তিনটি গুণই জনসাধারণের চেতনার মূল হয়ে উঠেছে।
প্রধান বিচারপতি এই মন্তব্য করেছেন একটি অনুষ্ঠানে, যেখানে তাকে অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান এবং সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন ফেরেওয়াল সম্মাননা জানিয়েছেন। এই অনুষ্ঠানটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতির আদালতে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি বলেছেন, বিচার বিভাগ একমাত্র পূর্ণতা সহকারে কার্যকর সাংবিধানিক অঙ্গ হিসেবে কাজ করেছে। তিনি বলেছেন, বিচার বিভাগকে নম্রতা এবং দৃঢ়তার সাথে কাজ করতে হয়েছে। তিনি বলেছেন, বিচার বিভাগ তার সীমানা অতিক্রম করতে পারে না, কিন্তু সেই সীমানার মধ্যে কোনো অধিকারকে নষ্ট করা যাবে না, কোনো প্রতিষ্ঠানকে বন্দী করা যাবে না এবং কোনো নাগরিককে পরিত্যাগ করা যাবে না।
প্রধান বিচারপতি বলেছেন, আমরা একসাথে, পারস্পরিক সম্মান, ভাগ করা দায়িত্ব এবং সাংবিধানিকতার প্রতি অটল প্রতিশ্রুতির সাথে, আমরা নিশ্চিত করি যে আমাদের বিচার বিভাগের শক্তি কোনো একক অফিসে নয়, বরং আমাদের সম্মিলিত সংকল্পে রয়েছে ন্যায়বিচারকে সততা, ভারসাম্য এবং দূরদর্শিতার সাথে পরিবেশন করা।
অ্যাটর্নি জেনারেল মোঃ আসাদুজ্জামান প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বের প্রশংসা করেছেন। তিনি বলেছেন, প্রধান বিচারপতির সংক্ষিপ্ত মেয়াদে, তিনি তার প্রজ্ঞা, বুদ্ধিমত্তা এবং দূরদর্শিতার সাথে, তিনি একটি অনন্য বিচারিক মান প্রতিষ্ঠা করেছেন।
প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ২৭শে ডিসেম্বর অবসর নেবেন। তার বক্তব্য আইনজীবী এবং বিচারকদের মধ্যে আগ্রহের সাথে শোনা হচ্ছে। তার বক্তব্য বাংলাদেশের আইনি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হবে।
প্রধান বিচারপতির বক্তব্য বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করবে। তার বক্তব্য বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন যুগের সূচনা করবে। তার বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণের আশা ও আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাবে।
প্রধান বিচারপতির বক্তব্য বাংলাদেশের আইনজীবী ও বিচারকদের মধ্যে একটি নতুন চেতনার সৃষ্টি করবে। তার বক্তব্য বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় একটি নতুন দিশা প্রদান করবে। তার বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে কাজ করবে।



