চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের এক নেতা গ্রেপ্তার হওয়ার পরও থানা হেফাজতে থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকার ঘটনা উঠেছে। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি হলেন মো. শোয়াইব-উল ইসলাম মহিম, যিনি পটিয়া উপজেলার বড়লিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা আবুল বশরের ছেলে এবং ৭ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে পরিচিত।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বুধবার রাত আনুমানিক ১টার দিকে পটিয়া পৌর সদরের কাগজীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত যুবলীগের একটি কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তবে গ্রেপ্তারের পরও শোয়াইবের ফেসবুক সক্রিয় থাকে। পুলিশ হেফাজতে থাকার পরও তাকে ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট দিতে দেখা যায়।
এক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমি পটিয়া থানায়। দেখা হবে আবারো, ফিরবো বীরের বেশে কোনো একদিন। জয় বাংলা।’ এ বিষয়ে পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউল হক বলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঘটনা হচ্ছে, গ্রেপ্তার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ওই আসামি কৌশলে মোবাইলটি আন্ডার গার্মেন্টসের নিচে লুকিয়ে রাখে। পরে আমরা বুঝতে পেরে তার মোবাইল ফোন নিয়ে নিই।
পটিয়া থানায় গ্রেপ্তার হওয়া শোয়াইব-উল ইসলাম মহিমের এই ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশ কর্তৃপক্ষ তাদের তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনার বিচার কখন হবে তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে এই ঘটনার পর পুলিশ কর্তৃপক্ষ তাদের তদন্ত শুরু করেছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে।
এই ঘটনার পর পটিয়া থানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে মানুষ তাদের মতামত প্রকাশ করছে এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষকে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে।
এই ঘটনার পর পটিয়া থানায় গ্রেপ্তার হওয়া শোয়াইব-উল ইসলাম মহিমের পরিবার তাদের ছেলের মুক্তির জন্য আবেদন জানাচ্ছে। তারা জানিয়েছে যে তাদের ছেলে নির্দোষ এবং তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া উচিত। এই ঘটনার পর পটিয়া থানায় উত্তেজনা বাড়ছে এবং মানুষ তাদের মতামত প্রকাশ করছে।
এই ঘটনার পর পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য সকল প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে মানুষ তাদের মতামত প্রকাশ করছে এবং পুলিশ কর্তৃপক্ষকে দোষীদের আইনের আওতায় আনার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। এই ঘটনার পর পটিয়া থানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে এবং মানুষ তাদের মতামত প্রকাশ করছে।
এই ঘটনার পর পুলিশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তারা এই ঘটনার তদন্ত করছে এবং দোষীদের আইনের আওতায় আ



