দিনাজপুরের ফুলবাড়ী সীমান্তে এক বাংলাদেশি তরুণীকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করেছে। বাংলাদেশি নাগরিক অর্চনা সুরিন (২৭) নামের এই তরুণীকে বৃহস্পতিবার প্রায় ঘন্টাব্যাপী পতাকা বৈঠক শেষে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষক বাহিনী (বিজিবি) ফুলবাড়ী ২৯ ব্যাটালিয়নের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সীমান্ত পারাপারের সময় অর্চনা সুরিনকে আটক করা হয়। পরে বিএসএফের আহ্বানে পিলার ২৯৯/১ এস এর কাছে ভারতের অভ্যন্তরে বসুলপুর শেখপাড়া এলাকায় পতাকা বৈঠকে সাড়া দেয় বিজিবি। বৈঠকে ভারতে আটক বাংলাদেশি নারী নাগরিক অর্চনা সুরিনের জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই বাছাই করে বাংলাদেশি নাগরিক নিশ্চিত হওয়ায় বিএসএফ পক্ষ থেকে তাকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়।
আটক অর্চনা সুরিনকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, সে দীর্ঘদিন ঢাকায় গার্মেন্টসে চাকরি করতেন। ফেসবুকের মাধ্যমে তার সঙ্গে ভারতীয় নাগরিক দিপংকরের পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে ধীরে ধীরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এসময় তাকে বিয়ের আশ্বাস দিলে সুরিন ভারতীয় নাগরিক রানার মাধ্যমে গত ১২ ডিসেম্বর শ্রীমঙ্গল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে এবং দিপংকরের বাড়িতে যায়।
কিন্তু দিপংকরের মা-বাবা তাদের বিয়েতে অস্বীকৃতি জানায় এবং ১৪ ডিসেম্বর পতিরাম থানা পুলিশ সুরিনকে আটক করে। সবশেষ তাকে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ফেরত পাঠায় বিএসএফ। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিজিবি ফুলবাড়ী ২৯ ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাবের বিন জব্বার জানান, অর্চনা সুরিনকে গ্রহণের পর পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ফুলবাড়ী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
এই ঘটনায় বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষক বাহিনী (বিজিবি) এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) উভয়ের সহযোগিতা লক্ষ্যনীয়। বিজিবি এবং বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে অর্চনা সুরিনকে হস্তান্তর করা হয়। এই ঘটনায় উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষক বাহিনীর সহযোগিতা এবং সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়।
অর্চনা সুরিনকে ফুলবাড়ী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করার পর তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা এবং সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়। অর্চনা সুরিনের পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে আদালতে হাজির করা হবে।
এই ঘটনায় বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের প্রতিশ্রুতি লক্ষ্য করা যায়। উভয় দেশের সীমান্ত রক্ষক বাহিনীর সহযোগিতা এবং সমন্বয় এই ঘটনায় লক্ষ্য করা যায়। এই ঘটনায় বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা এবং সমন্বয় লক্ষ্য করা যায়।



