বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার সাগরে মাছ ধরার সময় দুটি নৌকাসহ নয় জেলেকে অপহরণ করেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি।
এই ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সকালে ৯টার দিকে সেন্ট মার্টিনের দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর থেকে। শাহপরীর দ্বীপ বোট মালিক সমবায় সমিতির সভাপতি আবদুল গফুর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
অপহরণকৃত জেলেরা হলেন মো. আনোয়ার, মো. ইব্রাহিম, মনজুর আলম, ওমর ফারুক, কবির আহমেদ, জাফর আলম, মো. জসিম, মোহাম্মদ রাশেল এবং মো. আব্দুল্লাহ। তারা সকলেই শাহপরীর দ্বীপ মাঝের পাড়া গ্রামের বাসিন্দা।
আবদুল গফুর বলেছেন, আরাকান আর্মির কারণে নাফ নদী ও সাগরে মাছ শিকারে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। সাগর থেকে প্রায় সময় ট্রলারসহ জেলেদের ধরে নিয়ে যাচ্ছে তারা।
সাবরাং ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আব্দুল মান্নান বলেছেন, তাদের ঘাটের ইঞ্জিন চালিত দুটি নৌকা সাগরে মাছ শিকারে যায়। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা স্পিড বোটে এসে ধাওয়া করে নয় জেলেকে ধরে নিয়ে যায়।
ট্রলার মালিক ও বিজিবির দেওয়া তথ্য মতে, গত ১১ মাসে আরাকান আর্মি নাফ নদী ও বঙ্গোপসাগর থেকে ৩২৮ জেলেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
বিজিবির চেষ্টায় কয়েক দফায় ১৮৯ জেলেসহ ২৭টি ট্রলার ফেরত আনা সম্ভব হলেও আরও ২৬টি ট্রলার ও ১৮২ জন জেলে রাখাইন রাজ্যের কারাগারে বন্দি আছেন।
এই ঘটনার পর নৌকার মালিক ও জেলেরা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। আবদুল গফুর সরকারের সহায়তা চেয়েছেন এই ধরনের ঘটনা বন্ধে।
এই ঘটনার তদন্ত চলছে। আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, এই ধরনের ঘটনা রোধে সরকার সচেষ্ট।
এই ঘটনার পর স্থানীয় জেলে ও নৌকা মালিকরা আতঙ্কিত। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন সচেতন। তারা এই ধরনের ঘটনা রোধে কাজ করছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় জনগণ আতঙ্কিত। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার সচেষ্ট। তারা এই ধরনের ঘটনা রোধে কাজ করছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় জেলে ও নৌকা মালিকরা সচেতন। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার সচেতন। তারা এই ধরনের ঘটনা রোধে কাজ করছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় জনগণ সচেতন। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার সচেতন। তারা এই ধরনের ঘটনা রোধে কাজ করছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় জেলে ও নৌকা মালিকরা সচেতন। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার সচেতন। তারা এই ধরনের ঘটনা রোধে কাজ করছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় জনগণ সচেতন। তারা সরকারের কাছে নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন ও সরকার সচেতন। তারা এই ধরনের ঘটনা রোধে কাজ করছেন।
এই ঘটনার পর স্থানীয় জেলে ও নৌকা মালিকরা সচেতন। তারা সরকারের কাছে ন



