রাশিয়ার একটি আদালত একজন ব্রিটিশ নাগরিককে ১৩ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে। এই ব্রিটিশ নাগরিক ইউক্রেনে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
রাশিয়ার প্রসিকিউটর-জেনারেলের কার্যালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। হেইডেন ডেভিস নামের এই ব্রিটিশ নাগরিককে ইউক্রেনের দোনবাস অঞ্চলে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।
তিনি ইউক্রেনের বিদেশী লেজিওনের সাথে যোগ দিয়েছিলেন। রাশিয়া তাকে একজন মেরিনারি বলে অভিহিত করেছে।
ডনেটস্ক শহরের একটি রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত আদালতে তার বিচার হয়েছে। যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতর এই বিষয়ে মন্তব্য করতে বলা হয়েছে।
তারা ইতিমধ্যেই ডেভিস এবং অন্য একজন ব্রিটিশ নাগরিকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলিকে ‘মিথ্যা’ বলে অভিহিত করেছে।
তারা বলেছে যে তারা উভয়ই যুদ্ধবন্দী। ইউক্রেন নিশ্চিত করেছে যে তারা উভয়ই ইউক্রেনীয় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য।
জেনেভা কনভেনশনের আওতায় তাদের যুদ্ধবন্দীদের সমস্ত অধিকার ও সুরক্ষা প্রদান করা উচিত।
রাশিয়ার প্রসিকিউটররা বলেছেন যে ডেভিস ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।
তিনি রাশিয়ান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণ করেছিলেন।
একটি আদালতের ভিডিও ফুটেজে একজন ব্যক্তি একটি বারের ভিতর থেকে একজন অনুবাদকের মাধ্যমে কথা বলছেন।
তিনি বলেছেন যে তিনি ইউক্রেনের বিদেশী লেজিওনের সদস্য এবং পোল্যান্ডের মাধ্যমে বাসে করে ইউক্রেনে এসেছিলেন।
তিনি বলেছেন যে তাকে প্রতি মাসে ৪০০ বা ৫০০ ডলার বেতন দেওয়া হত।
যখন তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল যে তিনি কি অপরাধের কথা স্বীকার করেন, তখন তিনি ‘হ্যাঁ’ বলেছিলেন এবং তার মাথা নিচু করেছিলেন।
এটা স্পষ্ট নয় যে তিনি কি বাধ্য হয়ে কথা বলছিলেন।
মার্চ মাসে অন্য একজন ব্রিটিশ নাগরিক জেমস অ্যান্ডারসনকে ১৯ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
তিনি সন্ত্রাসবাদ এবং মেরিনারি কার্যকলাপের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন।
তিনি রাশিয়ার দ্বারা যুদ্ধের সময় দোষী সাব্যস্ত হওয়া প্রথম ব্রিটিশ নাগরিক।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে উত্তেজনা বাড়বে।
এটি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য উদ্বেগের বিষয়।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই পরিস্থিতির সমাধান খুঁজে বের করতে হবে।
তাদের উচিত ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করা।
এটি একটি জটিল সমস্যা এবং এর সমাধান খুঁজে বের করতে সময় লাগবে।
কিন্তু আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই পরিস্থিতির সমাধান খুঁজে বের করার জন্য একসাথে কাজ করতে হবে।
এটি বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই পরিস্থিতির সমাধান খুঁজে বের করার জন্য সকল প্রয়াস করতে হবে।
এটি একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ হতে পারে, কিন্তু এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এই পরিস্থিতির সমাধান খুঁজে বের করার জন্য একসাথে কাজ করতে হবে।
এটি বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর



