বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে নাটকীয় ফাইনাল ম্যাচগুলোর মধ্যে একটি হলো ২০২২ সালের আর্জেন্টিনা বনাম ফ্রান্স ম্যাচ। এই ম্যাচটি অনেকের মনে এখনও তাজা। সেদিন পুরো বিশ্ব টেলিভিশন স্ক্রীনে আটকে ছিল। আর্জেন্টিনা এবং ফ্রান্সের মধ্যে এই ম্যাচটি ছিল এক ধরনের আবেগের রোলারকোস্টার। এটি শুধু একটি ম্যাচ নয়, বরং একটি অভিজ্ঞতা যা অনেকের মনে ধরে আছে।
মেসির বিশ্বকাপ জয়ের তিন বছর পরেও সেই রাতের স্মৃতি অনেকের মনে তাজা। ম্যাচের প্রতিটি মুহূর্ত, প্রতিটি গোল, প্রতিটি আবেগ অনেকের মনে ধরে আছে। সেই রাতে অনেকে বড় বড় স্ক্রীনে ম্যাচ দেখেছিল, অনেকে বাড়িতে বসে ম্যাচ দেখেছিল। কিন্তু সবাইকে সেই রাতের আবেগ একই রকম ছিল।
সেই রাতে ম্যাচ দেখার সময় অনেকের মনে বিভিন্ন ধরনের আবেগ জাগিয়েছিল। কেউ কেউ খুব উত্তেজিত হয়েছিল, কেউ কেউ হতাশ হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনা জিতেছিল। সেই রাতের আবেগ অনেকের মনে ধরে আছে।
মোহাম্মদ ইয়াসিন নামের এক যুবক বলেছেন, ম্বাপে দুই গোল করার পর আমরা সবাই হতাশ হয়ে গিয়েছিলাম। আমার চারপাশের লোকেরা কাঁদছিল। আমরা সবাই খুব অবাক হয়েছিলাম। মাহতাব মাহদি নিহাল নামের এক ছাত্র বলেছেন, ম্বাপে তৃতীয় গোল করার পর আমি রুমে চলে গিয়েছিলাম। আমি খুব উত্তেজিত ছিলাম।
ফেরদৌসি বোরশা নামের এক মহিলা বলেছেন, পেনাল্টি শেষে আমাদের হোস্টেল রুমে সব মেয়েরা চিৎকার করছিল। মনে হচ্ছিল আমাদের দেশ কিছু বড় জিতেছে। জিবন মিয়া নামের এক চা স্টল মালিক বলেছেন, আমি ছোট টিভিতে ম্যাচ দেখছিলাম। আর্জেন্টিনা জিতার পর আমি দোকান বন্ধ করে বাইরে গিয়েছিলাম। সবাই অপরিচিত লোকদের জড়িয়ে ধরছিল।
সেই রাতের আবেগ অনেকের মনে ধরে আছে। আর্জেন্টিনা এবং ফ্রান্সের মধ্যে সেই ম্যাচটি ছিল এক ধরনের অভিজ্ঞতা যা অনেকের মনে ধরে আছে। সেই রাতের স্মৃতি অনেকের মনে তাজা। আর্জেন্টিনা জিতেছিল, কিন্তু সেই রাতের আবেগ অনেকের মনে ধরে আছে।
মেসির বিশ্বকাপ জয়ের তিন বছর পরেও সেই রাতের স্মৃতি অনেকের মনে তাজা। সেই রাতের আবেগ অনেকের মনে ধরে আছে। আর্জেন্টিনা জিতেছিল, কিন্তু সেই রাতের আবেগ অনেকের মনে ধরে আছে।



