গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশের খসড়ায় উপদেষ্টা পরিষদ অনুমোদন দিয়েছে। এই খসড়ায় বলা হয়েছে যে, গুম হওয়া ব্যক্তি পাঁচ বছরের মধ্যে জীবিত না ফিরলে আদালত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গুম’ ঘোষণা করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার উপদেষ্টা পরিষদের সাপ্তাহিক বৈঠকে এই খসড়াটি ‘নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন’ পেয়েছে। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
ঢাকার তেজগাঁওয়ে প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসের কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই অধ্যাদেশের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, সরকার ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার ট্রাইবুনালের’ জন্য মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে প্রয়োজনীয় পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ দিতে পারবে।
এছাড়াও, ভুক্তভোগী বা অভিযোগকারীও ট্রাইবুনাল আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবেন। গুম হওয়া ব্যক্তির স্ত্রী বা তার ওপর নির্ভরশীল পরিবারের কোনো সদস্য কমিশনের পূর্বানুমতি ছাড়া গুম হওয়া ব্যক্তির সম্পত্তি ব্যবহার করতে পারবেন।
এই অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদনের মাধ্যমে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নেওয়া হয়েছে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারকে আরও সুরক্ষা প্রদান করা সম্ভব হবে।
এই অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদনের পর এখন এটি সংসদে পাঠানো হবে। সংসদে এই অধ্যাদেশ পাস হলে এটি আইনে পরিণত হবে। এই আইন কার্যকর হলে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
এই অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদনের মাধ্যমে সরকার গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে তার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই অধ্যাদেশ কার্যকর হলে গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবার এবং সমাজের অন্যান্য সদস্যদের জন্য একটি নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।
এই অধ্যাদেশের খসড়া অনুমোদনের পর এখন সবাইকে এই অধ্যাদেশ পাস হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে। এই অধ্যাদেশ পাস হলে এটি আইনে পরিণত হবে এবং গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে একটি নতুন যুগ শুরু হবে।



