গাজা উপত্যকায় ভারী বৃষ্টির কারণে বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে। জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা জানিয়েছে, গাজায় বসবাসরত লাখো ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং তারা ভারী বৃষ্টির কারণে আরও দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছে।
গাজার হামাস-নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হাইপোথারমিয়ায় একটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে এবং ভয়াবহ আবহাওয়ার কারণে ভবন ধসে অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। জাতিসংঘের সংস্থাগুলো গাজায় নয় সপ্তাহ আগে যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার পর থেকে তাঁবু, কম্বল ও পোশাক সরবরাহ বাড়িয়েছে।
জাতিসংঘ ও এর সহযোগীরা অনুমান করছে, এখন পর্যন্ত প্রায় ৫৫ হাজার পরিবার বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের আশ্রয় ও জিনিসপত্র নষ্ট বা ধ্বংস হয়েছে। গত সোম ও মঙ্গলবারের বৃষ্টির পর ৪০টিরও বেশি নির্ধারিত জরুরি আশ্রয়কেন্দ্র মারাত্মকভাবে প্লাবিত হয়েছে, ফলে অনেক মানুষকে আবারও স্থানান্তরিত হতে হয়েছে।
গাজায় বসবাসরত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে জাতিসংঘ ও এর সহযোগীদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে এখনও পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছাচ্ছে না বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো। গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
গাজায় বৃষ্টির কারণে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি অন্যান্য সমস্যাও সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে গাজার অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে, যার ফলে মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির কারণে গাজার অনেক রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
গাজায় বৃষ্টির কারণে মানুষের দুর্ভোগ কমাতে জাতিসংঘ ও এর সহযোগীদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। তবে এখনও পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছাচ্ছে না বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো। গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে।
গাজায় বৃষ্টির কারণে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি অন্যান্য সমস্যাও সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির কারণে গাজার অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে, যার ফলে মানুষের জীবন ও সম্পত্তির ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও বৃষ্টির কারণে গাজার অনেক রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে, যার ফলে মানুষের চলাচল ব্যাহত হয়েছে।
গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। জাতিসংঘ ও এর সহযোগীদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, তবে এখনও পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছাচ্ছে না বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো। গাজায় বৃষ্টির কারণে মানুষের দুর্ভোগ বাড়ার পাশাপাশি অন্যান্য সমস্যাও সৃষ্টি হয়েছে।
গাজায় বাস্তুচ্যুত মানুষের দুর্ভোগ কমাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সহায়তা প্রয়োজন বলে মনে করা হচ্ছে। জাতিসংঘ ও এর সহযোগীদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে, তবে এখনও পর্যাপ্ত সহায়তা পৌঁছ



