বাংলাদেশে নবদম্পতির মধ্যে মিসটাইমড গর্ভধারণের হার উচ্চতর, যা ৪৭%। এটি একটি সমীক্ষায় পাওয়া গেছে, যেখানে দেখা গেছে যে নবদম্পতিরা সামাজিক ও পারিবারিক চাপের কারণে পরিকল্পনা করা গর্ভধারণের চেয়ে আগেই গর্ভবতী হচ্ছে।
এই সমীক্ষাটি চারটি নির্বাচিত এলাকায় ৬৬৬ জন নবদম্পতির উপর করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে যে শহুরে এলাকায় মিসটাইমড গর্ভধারণের হার গ্রামীণ এলাকার তুলনায় তিনগুণ বেশি। সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে যে নবদম্পতি মহিলাদের মধ্যে প্রাথমিক বিবাহের হার উচ্চ, যা ৪৩% গ্রামীণ এলাকায় এবং ৬৫% শহুরে এলাকায়।
সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে যে নবদম্পতি মহিলাদের মধ্যে ৬০% গ্রামীণ এলাকায় এবং ৬৬% শহুরে এলাকায় বিবাহের পর শিক্ষা বন্ধ করে দেয়। এর কারণ হিসেবে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির অনুমতি না থাকা, পিতামাতার প্রভাব, বিবাহের পর স্থানান্তর এবং সামাজিক নিয়মাবলী উল্লেখ করা হয়েছে।
এই সমীক্ষার ফলাফল থেকে বোঝা যায় যে বাংলাদেশে নবদম্পতিদের মধ্যে মিসটাইমড গর্ভধারণের হার উচ্চ। এর কারণ হিসেবে সামাজিক ও পারিবারিক চাপ উল্লেখ করা হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে শিক্ষা প্রদানের প্রয়োজন।
সমীক্ষায় আরও দেখা গেছে যে নবদম্পতিদের মধ্যে সম্পর্কের সমস্যা এবং সহিংসতার হার উচ্চ। এর কারণ হিসেবে সামাজিক ও পারিবারিক চাপ উল্লেখ করা হয়েছে। এই সমস্যা সমাধানের জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সম্পর্কের সমস্যা সমাধানের জন্য পরামর্শ প্রদানের প্রয়োজন।
সবশেষে, বাংলাদেশে নবদম্পতিদের মধ্যে মিসটাইমড গর্ভধারণের হার কমানোর জন্য সচেতনতা বৃদ্ধি এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে শিক্ষা প্রদানের প্রয়োজন। এছাড়াও, সম্পর্কের সমস্যা সমাধানের জন্য পরামর্শ প্রদানের প্রয়োজন। আমরা কি এই সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করতে পারি?



