বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তান সুপার লিগের সাথে সময়সূচির দ্বন্দ্বের কারণে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের আগামী ঘরের সিরিজটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে।
আইসিসির ভবিষ্যত টুর প্রোগ্রামের অনুযায়ী, পাকিস্তান মার্চ মাসের মধ্যভাগে বাংলাদেশে দুটি টেস্ট, তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। তবে, পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড একই সময়ে পাকিস্তান সুপার লিগ আয়োজন করার পরিকল্পনা করায় সিরিজটি পুনর্নির্ধারণ করা হবে।
জানা গেছে, সিরিজটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হবে – একটি পর্ব পাকিস্তান সুপার লিগের আগে এবং অন্য পর্ব পাকিস্তান সুপার লিগের পরে। উভয় বোর্ড বর্তমানে কোন ফর্ম্যাটটি প্রথমে খেলা হবে তা নিয়ে কাজ করছে।
আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ মার্চের ৮ তারিখে শেষ হওয়ার পরে পাকিস্তান সম্ভবত সিরিজের সাদা-বলের পর্ব খেলবে। আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের অংশ হিসেবে দুটি টেস্ট ম্যাচ পাকিস্তান সুপার লিগের পরে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে, বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান শুধুমাত্র নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলবেন, কারণ তাকে ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগে অংশগ্রহণের জন্য অবজ্ঞাপত্র দেওয়া হয়েছে।
নিউজিল্যান্ড এপ্রিল মাসের মধ্যভাগে বাংলাদেশে আসবে তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক এবং তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার জন্য। ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগ মার্চের ২৬ তারিখে শুরু হবে এবং মে মাসের ৩১ তারিখে শেষ হবে।
মুস্তাফিজুর রহমান একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজে খেলার জন্য আট দিনের জন্য ফিরে আসবেন। এই সিদ্ধান্তটি বাংলাদেশের ২০২৭ সালের বিশ্বকাপে সরাসরি যোগ্যতা অর্জনের লক্ষ্যে নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তারা বলেছেন, বিশ্বকাপে যোগ্যতা অর্জনের জন্য তারা কোনো ধরনের আপস করতে ইচ্ছুক নন। তাই মুস্তাফিজুর রহমানকে একদিনের আন্তর্জাতিক সিরিজে খেলার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মধ্যে সিরিজটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রথম পর্বটি পাকিস্তান সুপার লিগের আগে এবং দ্বিতীয় পর্বটি পাকিস্তান সুপার লিগের পরে অনুষ্ঠিত হবে। উভয় দলই তাদের শক্তি ও দুর্বলতা বিবেচনা করে সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড উভয়ই সিরিজের সূচি নিয়ে আলোচনা করছে। সিরিজটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা উভয় দলের জন্য একটি ভালো সুযোগ হতে পারে।
বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের মধ্যে সিরিজটি একটি অনুভবনীয় ইভেন্ট হতে চলেছে। উভয় দলই তাদের শক্তি ও দুর্বলতা বিবেচনা করে সিরিজের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। সিরিজটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা উভয় দলের জন্য একটি ভালো সুযোগ হতে পারে।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড এবং পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড উভয়ই সিরিজের সূচি নিয়ে আলোচনা করছে। সিরিজটি দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে, যা উভয় দলের জন্য একটি



