28 C
Dhaka
Thursday, January 29, 2026
Google search engine
Homeরাজনীতিপ্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাঁর শেষ কর্মদিবসে একটি গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সংবিধান বাতিল করা জুলাই বিপ্লবের লক্ষ্য ছিল না। বরং, সংবিধানের সঙ্গে বিচার বিভাগের সম্পর্ককে বিশুদ্ধ ও জবাবদিহিমূলক করাই অভ্যুত্থানের লক্ষ্য ছিল।

বৃহস্পতিবার অবসরের আগে আপিল বিভাগে শেষ কর্মদিবসে এ কথা বলেন তিনি। বিদায়ী বক্তব্যে প্রধান বিচারপতি বলেন, গণতন্ত্রে যতদিন বিচার বিভাগের মূল্যবোধ থাকবে, ততদিন সুপ্রিম কোর্ট ন্যায়বিচার ও স্বাধীনতার শেষ আশ্রয় হয়ে থাকবে।

বিচার বিভাগকে অবশ্যই বর্তমান সংবিধানের মূল কাঠামো নীতি মেনে চলতে হবে। যা ক্ষমতা পৃথকীকরণ, বিচারিক স্বাধীনতা, গণতান্ত্রিক শাসন, মৌলিক অধিকার এবং জনগণের সার্বভৌমত্বের মতো আদর্শগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে। তিনি বলেন, বিচার বিভাগের শক্তি কোনও একক দফতরে নয়, বরং সততা ও দূরদর্শিতার সাথে ন্যায়বিচার করার সম্মিলিত সংকল্পের মধ্যে নিহিত।

এদিকে, প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসে আপিল বিভাগের এজলাসেই অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির পক্ষ থেকে তাকে বিদায়ী সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এ সময় সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি, ট্রাইব্যুনালের বিচারপতি, আইনজীবী, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য গণতন্ত্র ও বিচার বিভাগের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। এটি বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি তাঁর অঙ্গীকারের প্রমাণ বহন করছে।

এই ঘটনার পরবর্তী ধাপ হতে পারে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের আরও শক্তিশালীকরণ। এটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

প্রধান বিচারপতির শেষ কর্মদিবসের এই ঘটনা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও বিচারিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হবে।

এই বক্তব্যের পর বিচার বিভাগ ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যত নিয়ে আশাবাদী হওয়া যায়। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে পারে।

প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি আশার কথা বহন করছে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হবে।

প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি নতুন আশার সঞ্চার করছে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

এই ঘটনার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হবে।

প্রধান বিচারপতির এই বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণের জন্য একটি নতুন আশার সঞ্চার করছে। এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।

এই ঘটনার পর বাংলাদ

৮০/১০০ ১টি সোর্স থেকে যাচাইকৃত।
আমরা ছাড়াও প্রকাশ করেছে: ইত্তেফাক
রাজনীতি প্রতিবেদক
রাজনীতি প্রতিবেদক
AI-powered রাজনীতি content writer managed by NewsForge
RELATED ARTICLES

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisment -
Google search engine

Most Popular

Recent Comments