বিশ্বের ধনী দেশগুলি বিদেশি শ্রমিকদের জন্য আকুতি করছে, যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপে অভিবাসন বিরোধী মনোভাব বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত মাসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুসারে, বিশ্বব্যাপী শ্রম অভিবাসন হ্রাস পাচ্ছে, যদিও বয়স্ক সমাজগুলি কর্মীদের ঘাটতির সম্মুখীন হচ্ছে।
এই পতন ডোনাল্ড ট্রাম্পের পুনর্নির্বাচনের আগেই শুরু হয়েছিল, যিনি গত বছর অভিবাসন কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রচার করেছিলেন। অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা (ওইসিডি) অনুসারে, তার ৩৮টি সদস্য দেশে কর্মসংস্থানের জন্য অভিবাসন ২১% কমেছে।
ওইসিডির আন্তর্জাতিক অভিবাসন পরিদর্শন ২০২৫ প্রতিবেদন অনুসারে, এই পতনের কারণ চাহিদা নয়, বরং অভিবাসনের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক বিরোধিতা এবং অন্যান্য উন্নত অর্থনীতিতে ভিসা ব্যবস্থা কঠোর করা। অস্থায়ী কাজের অভিবাসন এখনও বাড়ছে।
যুক্তরাজ্য এবং নিউজিল্যান্ডে নীতি পরিবর্তনের কারণে স্থায়ী শ্রম অভিবাসনে পতন ঘটেছে। নিউজিল্যান্ডে, একটি অস্থায়ী অভিবাসন পথের শেষ হওয়ার কারণে এই পতন ঘটেছে, যা ২০০,০০০েরও বেশি অস্থায়ী অভিবাসী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের স্থায়ীভাবে বসবাস করতে দেয়।
ব্রেক্সিটের পর, যুক্তরাজ্য স্বাস্থ্য ও যত্ন কর্মীদের ভিসা পথকে সংস্কার করেছে, নিয়োগকর্তাদের যোগ্যতা কঠোর করেছে এবং পরিবারের সদস্যদের প্রবেশাধিকার বন্ধ করে দিয়েছে, যার ফলে ভিসা আবেদন হ্রাস পেয়েছে। ওইসিডি স্বাস্থ্যসেবা খাতকে এমন একটি খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে, যেখানে অভিবাসন সীমাবদ্ধতা শ্রমিকের ঘাটতি বাড়িয়ে দিতে পারে।
অভিবাসন বিশেষজ্ঞ সীতা শর্মা সতর্ক করেছেন যে, যুক্তরাজ্যের সংস্কার, যার মধ্যে আন্তর্জাতিক ছাত্রদের জন্য স্নাতকোত্তর কাজের অনুমতি সীমিত করা, বিপরীত প্রভাব ফেলতে পারে।
অভিবাসন নীতি পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী শ্রম বাজারে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আসতে পারে। এই পরিবর্তনগুলি বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি এবং সমাজের উপর প্রভাব ফেলবে।
অভিবাসন নীতি পরিবর্তনের ফলে বিশ্বব্যাপী শ্রম অভিবাসন হ্রাস পাচ্ছে। এই পরিবর্তনগুলি বিভিন্ন দেশের অর্থনীতি এবং সমাজের উপর প্রভাব ফেলবে। এই পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা এবং এর প্রভাব বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।



