আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল শেখ হাসিনা এবং অন্যদের বিরুদ্ধে দুটি মামলায় তদন্তের সময়সীমা দুই মাস বাড়িয়েছে। এই মামলাগুলোতে শেখ হাসিনার সাথে আরও ৪৫ জন আসামী রয়েছেন, যাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
ট্রাইবুনালের একটি তিন সদস্যের বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই বেঞ্চটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিচারপতি গোলাম মোর্তুজা মাজুমদার, যিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের চেয়ারম্যানও। তারা ফেব্রুয়ারি ১৮ নতুন সময়সীমা ধার্য করেছেন।
এই মামলাগুলোতে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ছিল গতকাল, কিন্তু তদন্তকারী সংস্থা আরও সময় চেয়েছে। তারা বলেছে যে তদন্ত প্রক্রিয়াটি আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করছে।
গতকাল একটি মামলার শুনানির জন্য ১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ট্রাইবুনালে হাজির করা হয়েছিল। এদের মধ্যে ছিলেন সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু প্রমুখ।
শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের এবং অন্যান্য কয়েকজন আসামী দুটি মামলায়ই অভিযুক্ত। কিন্তু তারা গ্রেফতার হতে পারেনি কারণ তারা বর্তমানে লুকিয়ে আছেন বা দেশ ছেড়েছেন। ট্রাইবুনাল আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলোকে জিজ্ঞাসা করেছে যে ওবায়দুল কাদেরকে গ্রেফতার করতে কেন ব্যর্থ হয়েছে, যদিও তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাদেরকে ১৫ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।
গতকাল হোম অ্যাফেয়ার্স উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন যে সরকার ওবায়দুল কাদেরের অবস্থান সম্পর্কে জানে না আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে।
আসামীরা সকাল ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে ট্রাইবুনালে হাজির হয়েছিলেন।
এই মামলাগুলোর ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে বলা যায় যে এগুলো দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করতে পারে। এছাড়াও, এগুলো আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে উত্তেজনা বাড়াতে পারে।
এই মামলাগুলোর পরবর্তী ধাপ সম্পর্কে বলা যায় যে ট্রাইবুনাল এগুলোর বিচার শুরু করবে যদি তদন্ত প্রতিবেদনগুলো জমা দেওয়া হয়। এছাড়াও, আসামীদের গ্রেফতার করা হবে যদি তারা ট্রাইবুনালে হাজির না হন।
এই মামলাগুলো দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। এগুলো আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলবে। এছাড়াও, এগুলো দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর প্রভাব ফেলবে।
এই মামলাগুলোর ফলাফল সম্পর্কে বলা যায় যে এগুলো দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের উপর একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে। এগুলো আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে সম্পর



