ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের নির্বাচনী অপরাধ তদন্ত ও সংক্ষিপ্ত বিচার কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বিচারকদের নিয়ে গঠিত নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটিকে পুলিশি সহায়তার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
ইসির আইন শাখা থেকে নির্দেশনাটি সব বিভাগীয় কমিশনার ও পুলিশ সুপারদের পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকালে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার স্বার্থে কমিটির কর্মকর্তাদের সহিত পুলিশ বাহিনীর দু’জন অস্ত্রধারী সদস্যকে নিয়োগ করার জন্য সব পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপারকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।
এছাড়া কমিটি কোনো অনুসন্ধান বা বিচারকার্য পরিচালনার জন্য কমিটির চাহিদা মতে প্রয়োজনীয় স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়নের জন্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৯১কক (২) মোতাবেক সংশ্লিষ্ট পুলিশ কমিশনার/পুলিশ সুপার/স্থানীয় থানার অফিসার ইনচার্জ/অন্য কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কমান্ডার/ইনচার্জ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনের নিরপেক্ষতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও গতিশীল হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোট এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করছে।
এই সিদ্ধান্তের পর দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও পরিষ্কার হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোট এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করছে।
আগামী দিনগুলোতে নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের প্রভাব দেখা যাবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোট এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উপর গভীর প্রভাব ফেলবে। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করছে।
এই সিদ্ধান্তের পর দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট আরও পরিষ্কার হবে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোট এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করবে।
নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত দেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন তার দায়িত্ব পালন করছে।



