মিয়ানমারের সাবেক নেত্রী অং সান সু চির বেঁচে থাকার প্রশ্নে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। তাঁর ছেলে কিম অ্যারিস জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। সু চির স্বাস্থ্য নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।
কিম অ্যারিস জাপানে অবস্থান করছেন এবং তাঁর মায়ের মুক্তির দাবিতে কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি সামরিক সরকারের পরিকল্পিত নির্বাচনেরও সমালোচনা করেছেন। আন্তর্জাতিক মহলের মতে, এই নির্বাচন জান্তার ক্ষমতা বৈধ করার কৌশল।
সু চি ২০২০ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন, কিন্তু সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তাঁকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এরপর দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে। বর্তমানে সু চি ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি, নির্বাচন জালিয়াতি, রাষ্ট্রদ্রোহ, করোনা বিধি ভঙ্গ, অবৈধ যোগাযোগ সরঞ্জাম রাখা এবং রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য লঙ্ঘনসহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে।
কিম অ্যারিস জানিয়েছেন, তাঁর মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে তিনি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন। তিনি বলেছেন, তাঁর মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও বলেছেন, তাঁর মায়ের স্বাস্থ্য নিয়ে তিনি অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।
মিয়ানমার সামরিক সরকার দাবি করেছে, কিম অ্যারিসের বক্তব্য মনগড়া এবং আসন্ন নির্বাচনে বিঘ্ন ঘটানোর উদ্দেশ্যে ছড়ানো। তবে কিম অ্যারিস জানিয়েছেন, মিয়ানমারের রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ তাঁর উদ্দেশ্য নয়।
এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহল উদ্বিগ্ন। তারা সু চির মুক্তি ও মিয়ানমারে গণতন্ত্র পুনর্যাত্রার দাবি জানিয়েছে। কিন্তু মিয়ানমার সামরিক সরকার এখনও তাদের দাবি মানতে অস্বীকার করেছে।
এই পরিস্থিতি মিয়ানমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মহল এই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং মিয়ানমার সরকারকে গণতন্ত্র পুনর্যাত্রার দাবি জানিয়েছে।
এই পরিস্থিতি মিয়ানমারের জনগণের জন্য অত্যন্ত কঠিন। তারা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের জন্য সংগ্রাম করছে। আন্তর্জাতিক মহলকে মিয়ানমারের জনগণের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছে।
এই পরিস্থিতি মিয়ানমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আন্তর্জাতিক মহলকে মিয়ানমারের জনগণের পাশে দাঁড়ানোর দাবি জানিয়েছে। মিয়ানমার সরকারকে গণতন্ত্র পুনর্যাত্রার দাবি জানিয়েছে।



