রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউরোপীয় নেতাদের প্রতি কটাক্ষ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইউরোপীয় নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্রের দ্বন্দ্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।
পুতিন বলেছেন, রাশিয়া ইউক্রেনে তার লক্ষ্য অর্জন করবে, শক্তি প্রয়োগ অথবা কূটনৈতিক উপায়ে। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন যদি প্রকৃত আলোচনা না চায়, তাহলে রাশিয়া তার ঐতিহাসিক ভূখণ্ড যুদ্ধক্ষেত্রে স্বাধীন করবে।
পুতিন অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে এই পরিস্থিতি অস্ত্রের দ্বন্দ্বের দিকে নিয়ে গেছে। তারা ভেবেছিল রাশিয়াকে তারা অল্প সময়ের মধ্যে ধ্বংস অথবা দুর্বল করে দেবে।
ইউরোপীয় নেতারা রাশিয়ার বিরুদ্ধে অস্ত্রের দ্বন্দ্বের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন বলে পুতিন উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ইউরোপের শূকররা তাত্ক্ষণিকভাবে সাবেক মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আশা করেছিল, আমাদের ধ্বংস থেকে তারা লাভবান হবে।
গত সপ্তাহে জার্মানির বার্লিনে আলোচনায় বসেন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ ও ইউক্রেনের নেতারা। এ আলোচনার পর মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যেসব বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব আছে তার মধ্যে ৯০ শতাংশ সমাধান হয়ে গেছে। তবে ইউক্রেন যেসব শর্ত দিয়েছে সেগুলো নিয়ে পুতিন কোনও ছাড় দেবেন কি না তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।
পুতিন বারবার বলে আসছেন, ইউক্রেন যদি শান্তিচুক্তি চায় তাহলে পুরো ডোনবাস তাদের ছেড়ে দিতে হবে। এমনকি ডোনবাসের যেসব ভূখণ্ডে এখনও ইউক্রেনের সেনারা আছে সেগুলো থেকেও তাদের সেনাদের সরে যেতে হবে। কিন্তু ইউক্রেন তার এ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। যদিও যুক্তরাষ্ট্র এতে সমর্থন দিয়েছে।
এই পরিস্থিতি রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার সম্ভাবনা কম বলে মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপরও প্রভাব ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



