বাংলাদেশে অক্টোবর মাসে ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। এটি মোবাইল ব্যবহারকারীদের সংখ্যা হ্রাসের কারণে ঘটেছে, যা প্রতি ব্যক্তির জন্য সিম মালিকানার সীমাবদ্ধতার কারণে। বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) এর সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, অক্টোবর মাসে মোট ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা ১৩.১৫ কোটি হয়েছে, যা পূর্ববর্তী মাসের তুলনায় ২৭ লাখ কম।
মোবাইল ইন্টারনেট সংযোগ সংখ্যা ৩১ লাখ কমে ১১.৬৮ কোটি হয়েছে। এটি ফেব্রুয়ারি ২০২৫ থেকে শুরু হওয়া ৮ মাসের ধারাবাহিক বৃদ্ধির পরে ঘটেছে, যার সময় গ্রাহক সংখ্যা ৪১ লাখ বেড়েছে। জুন ২০২৪ থেকে জানুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত আগের পতনের পরে এই বৃদ্ধি ঘটেছে, যার সময় ১.২০ কোটি গ্রাহক হ্রাস পেয়েছে।
বিটিআরসি সিদ্ধান্তের কারণে, ২৬ লাখ ব্যবহারকারীর ৬৭ লাখ সিম কার্ড নতুন সীমার ঊর্ধ্বে ছিল, যা বাতিল বলে বিবেচিত হয়েছে। এছাড়াও, পরবর্তী বছরের জানুয়ারি থেকে, একজন ব্যক্তি একটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) এর অধীনে সর্বাধিক পাঁচটি ব্যক্তিগত সিম কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
মার্চ ২০২৫ পর্যন্ত, দেশে ১৮.৬২ কোটি সক্রিয় সিম কার্ড ছিল, যখন ৬.৭৫ কোটি অনন্য নিবন্ধিত ব্যবহারকারী ছিলেন। বিটিআরসি ডেটা দেখায় যে ৮০.৩২ শতাংশ ব্যবহারকারী পাঁচটিরও কম সিম ধারণ করে, ১৬.২৩ শতাংশ ৬-১০টি সিম এবং মাত্র ৩.৪৫ শতাংশ ১১-১৫টি সিম ধারণ করে।
অন্যদিকে, অক্টোবর মাসে স্থির ব্রডব্যান্ড সংযোগ সংখ্যা ২ লাখ বৃদ্ধি পেয়ে ১.৪৬ কোটি হয়েছে। এটি নির্দেশ করে যে বাড়িতে ইন্টারনেট ব্যবহার স্থিতিশীল রয়েছে।
এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য উদ্বেগজনক। সিম মালিকানার সীমাবদ্ধতা ব্যবহারকারীদের জন্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি দেশের ডিজিটাল অগ্রগতির জন্যও একটি চ্যালেঞ্জ।
বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত। তারা তাদের সিম কার্ডগুলি পর্যালোচনা করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এটি তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে সাহায্য করবে।
সরকারকেও এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত। তারা ব্যবহারকারীদের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এটি দেশের ডিজিটাল অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
অবশেষে, বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য এই পরিস্থিতি একটি চ্যালেঞ্জ। তারা এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত হওয়া উচিত এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এটি তাদের ইন্টারনেট ব্যবহারের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে সাহায্য করবে এবং দেশের ডিজিটাল অগ্রগতির জন্য অবদান রাখবে।



