শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (শাকসু) নির্বাচনে মোট ৯৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থীর সংখ্যা মাত্র ৭ জন। এটি একটি উদ্বেগজনক বিষয়, কারণ নারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বিশ্ববিদ্যালয়ে উল্লেখযোগ্য।
শাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক পদে চারজন, আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক পদে একজন ও সদস্য পদে মাত্র দুজনসহ মোট সাতজন নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এটি একটি নিম্ন শতাংশ, কারণ নারী শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষার্থীর ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ।
নারী প্রার্থীদের অভাবের কারণ হিসেবে ট্যাগিং, সাইবার বুলিং ও দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য ছাত্রীদের অংশগ্রহণ কম। এছাড়াও, নারী শিক্ষার্থীরা নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত নয়, কারণ তারা বিশ্বাস করে যে নির্বাচনে জয়ী হলেও তারা পরিবর্তন আনতে পারবে না।
শাকসু নির্বাচনের জন্য এ পর্যন্ত তিনটি প্যানেল ঘোষণা করা হয়েছে। প্যানেলগুলো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ছাত্রদল–সমর্থিত ‘সম্মিলিত সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলে একজন নারী প্রার্থী আছেন। ছাত্রশিবির–সমর্থিত ‘দুর্বার সাস্টিয়ান ঐক্য’ প্যানেলে তিনজন নারী প্রার্থী লড়ছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ‘সাধারণের ঐক্যস্বর’ প্যানেল থেকে দুজন নারী প্রার্থী আছেন।
শাকসু নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে উদ্যোগ নিতে হবে। নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সুষ্ঠু পরিবেশ তৈরি করতে হবে। এছাড়াও, নারী শিক্ষার্থীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য উৎসাহিত করতে হবে।
শেষ পর্যন্ত, শাকসু নির্বাচনে নারী প্রার্থীর সংখ্যা বাড়ানোর জন্য সকলের সমর্থন প্রয়োজন। আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য। আমরা কি একসঙ্গে কাজ করতে পারি নারী শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য?



