ক্রিকেট মাঠে খেলা বন্ধের অনেক ঘটনা ঘটেছে। গতকাল ঘন কুয়াশার কারণে ভারত–দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের চতুর্থ টি–টোয়েন্টি কোনো বল ছাড়াই পরিত্যক্ত হয়েছে। এটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে এক নজিরবিহীন ঘটনা।
ক্রিকেট মাঠে পিঁপড়া, ইঁদুর, পোড়া টোস্ট এমনকি সাপও খেলা বন্ধ করে দিয়েছে। ২০১৭ সালের নভেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে একটি ম্যাচে পিঁপড়ার ঝাঁক নেমে এলে খেলা স্থগিত করা হয়। অর্শদীপ সিং পিঁপড়ার ঝাঁকের মধ্যেই প্রথম ওভারটি করলেও পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পিঁপড়া খেলোয়াড়দের চোখে–মুখে ঢুকে পড়তে পারে, এই আশঙ্কা আর উপেক্ষা করা সম্ভব হয়নি।
২০০৯ সালে সিডনির কাছের ব্ল্যাকটাউনে অনূর্ধ্ব–১৭ পর্যায়ের একটি ম্যাচ হঠাৎ থেমে যায়। কারণ মাঠের আউটফিল্ডে ঢুকে পড়েছে একটি ভয়ংকর লাল-পেটওয়ালা কালো সাপ। সাপটি খেলোয়াড়দের বিরক্ত করতে করতে একসময় পিচের দিকেও এগিয়ে আসে। প্রায় ২০ মিনিট বন্ধ থাকে খেলা।
অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া ক্রিকেটে জয়ের জন্য নিউ সাউথ ওয়েলসের তখন দরকার মাত্র ১৮ রান। এমন সময়ে ব্রিসবেনের অ্যালান বর্ডার ফিল্ডে অগ্নি-সতর্কতার অ্যালার্ম বেজে ওঠায় প্রায় ৩০ মিনিটের খেলা বন্ধ থাকে। পরে জানা যায়, কুইন্সল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৭–১৮ শেফিল্ড শিল্ড মৌসুমের তৃতীয় ম্যাচটি প্রত্যাশার চেয়ে একটু বেশি সময় নেওয়ার পেছনে দায়ী ছিল তাদেরই একজন খেলোয়াড়। অস্ট্রেলিয়ান অফ স্পিনার নাথান লায়ন একটি টোস্ট পুড়িয়ে ফেলেছিলেন। এতে যে ধোঁয়া ওঠায় দমকল বাহিনীর গাড়ি মাঠে চলে আসে। শেষ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ খেলার অনুমতি দিলে ম্যাচের বাকি অংশ শেষ করা হয়।
ক্রিকেট মাঠে এমন ঘটনা বিরল নয়। খেলোয়াড়রা প্রায়ই অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হন। তবে এই ধরনের ঘটনা খেলার উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য এই ধরনের ঘটনা আনন্দদায়ক হতে পারে।
ক্রিকেট মাঠে খেলা বন্ধের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। তবে এই ধরনের ঘটনা খেলার গতিপথ পরিবর্তন করে দিতে পারে। খেলোয়াড়রা প্রায়ই এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হন। তবে তারা প্রায়ই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম হন।
ক্রিকেট মাঠে খেলা বন্ধের ঘটনা প্রায়ই দেখা যায়। তবে এই ধরনের ঘটনা খেলার উত্তেজনা বাড়িয়ে দেয়। ক্রিকেট প্রেমীদের জন্য এই ধরনের ঘটনা আনন্দদায়ক হতে পারে। তবে খেলোয়াড়রা প্রায়ই এই ধরনের পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সক্ষম হন।



