অ্যাশেজ সিরিজের তৃতীয় টেস্টে নাথান লায়ন ইতিহাস গড়লেন। তিনি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন।
অ্যাডিলেড টেস্টে অস্ট্রেলিয়া প্রথম ইনিংসে ৩৭১ রানে অলআউট হয়েছে। জবাবে ইংল্যান্ড ব্যাটিং শুরু করেছে। নাথান লায়নের ঘূর্ণিতে চাপে রয়েছে সফরকারীরা।
নাথান লায়ন তার প্রথম ওভারেই ২ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডকে বিপদে ফেলেছেন। এই দুই উইকেট নিয়েই তিনি টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি হয়েছেন।
এর আগে ৫৬৩ উইকেট নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি ছিলেন গ্লেন ম্যাকগ্রা। নাথান লায়ন ২ উইকেট নিয়ে তাকে ছাড়িয়ে গেছেন। এই স্পিনারের উইকেট সংখ্যা এখন ৫৬৪।
টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলার শেন ওয়ার্ন। ১৪৫ টেস্ট খেলে ৭০৮ উইকেট শিকার করেছেন তিনি। তার পেছনেই এখন আছেন নাথান লায়ন।
অ্যাডিলেড টেস্টে অ্যালেক্স ক্যারির শতক এবং খাজা ও স্টার্কের অর্ধশতকের ওপর ভর করে ৩৭১ রানের পুঁজি পেয়েছে অস্ট্রেলিয়া। বল হাতে ৫ উইকেট শিকার করেছেন জোফরা আর্চার।
জবাবে মধ্যাহ্ন বিরতিতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত ইংল্যান্ডের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৫৯ রান।
নাথান লায়নের এই রেকর্ড তাকে অস্ট্রেলিয়ার সেরা স্পিনারদের তালিকায় নিয়ে এসেছে। তার এই অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী অস্ট্রেলিয়াকে অ্যাশেজ সিরিজে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অ্যাশেজ সিরিজের পরবর্তী ম্যাচগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড উভয় দলই সিরিজ জিততে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অ্যাশেজ সিরিজের আগামী ম্যাচগুলো ক্রিকেট ভক্তদের জন্য খুবই উত্তেজনাপূর্ণ হবে। অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড উভয় দলই তাদের সেরা খেলা প্রদর্শন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নাথান লায়নের এই রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হবে। তার এই অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী অস্ট্রেলিয়াকে আরও সাফল্য অর্জন করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অ্যাশেজ সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড উভয় দলই সিরিজ জিততে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে অ্যাশেজ সিরিজের প্রতিটি ম্যাচ খুবই উত্তেজনাপূর্ণ হবে। অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড উভয় দলই তাদের সেরা খেলা প্রদর্শন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নাথান লায়নের এই রেকর্ড অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হবে। তার এই অসাধারণ ক্রীড়াশৈলী অস্ট্রেলিয়াকে আরও সাফল্য অর্জন করতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
অ্যাশেজ সিরিজের বাকি ম্যাচগুলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ হবে। অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড উভয় দলই সিরিজ জিততে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ডের মধ্যে অ্যাশেজ সিরিজের প্রতিটি ম্যাচ খুবই উত্তেজনাপূর্ণ হবে। অস্ট্রেলিয়া এবং ইংল্যান্ড উভয় দলই তাদের সেরা খেলা প্রদর্শন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নাথান লায়নের এই রে



