মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন জলবায়ু গবেষণা কেন্দ্র বন্ধের পরিকল্পনা করেছে। এই কেন্দ্রটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান জলবায়ু গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
এনসিএআর নামক এই কেন্দ্রটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি একটি সরকারি অর্থায়নে পরিচালিত গবেষণা ও শিক্ষামূলক কেন্দ্র। হোয়াইট হাউসের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের পরিচালক রাস ভোগট জানিয়েছেন, কেন্দ্রের জরুরি হিসেবে বিবেচিত যেকোনও কার্যক্রম অন্য কোনও সংস্থা বা স্থানে স্থানান্তরিত করা হবে।
এনসিএআর-এর বিশিষ্ট গবেষক কেভিন ট্রেনবার্থ বলেছেন, ল্যাবরেটরি ভাঙার ফলে বৈজ্ঞানিক গবেষণার একটি বড় ক্ষতি হবে। তিনি আরও বলেছেন, কেন্দ্রটি উন্নত জলবায়ু বিজ্ঞান আবিষ্কারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার দ্বিতীয় মেয়াদে ডেমোক্র্যাটিক পূর্বসূরি জো বাইডেনের সময় প্রতিষ্ঠিত ক্লিন এনার্জি ও জলবায়ু উদ্যোগগুলো ফিরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়েছেন। ট্রাম্প জলবায়ু পরিবর্তনকে কূটচাল হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং সেপ্টেম্বর মাসে জাতিসংঘে দেওয়া এক ভাষণে এটিকে পৃথিবীর প্রতি সর্বকালের সর্ববৃহৎ প্রতারণা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এনসিএআর ভেঙে ফেলার কার্যক্রম অবিলম্বে শুরু হবে এবং কেন্দ্রের মেসা ল্যাবরেটরি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গবেষণার উপর একটি বড় প্রভাব পড়বে।
জলবায়ু পরিবর্তন একটি গুরুতর সমস্যা যা বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে। এনসিএআর-এর মতো গবেষণা কেন্দ্রগুলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করে এবং এই সমস্যা মোকাবেলার জন্য সমাধান খুঁজে বের করে।
এনসিএআর ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করা আরও কঠিন হয়ে উঠবে। এই সমস্যা মোকাবেলা করার জন্য সবাইকে একসাথে কাজ করতে হবে এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে গবেষণা করার জন্য নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।



