গত সপ্তাহে হাদির ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ফয়সাল নামের এক ব্যক্তি ভাড়া গাড়ি ব্যবহার করেছিলেন। নুরুজ্জামান নামের এক ভাড়ার মালিক জানিয়েছেন, ফয়সাল তার কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া নিয়েছিলেন এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া যেতে বলেছিলেন।
নুরুজ্জামান বলেছেন, ফয়সাল তার কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া নেওয়ার সূত্র ধরে অনলাইনে, হোয়াটসঅ্যাপে তাদের সম্পর্ক হয়। তিনি জানান, ফয়সাল তার কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া নিয়ে প্রায়ই মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া যেতেন। সেখানে সারা দিন আলাউদ্দিন পার্কে থাকতেন।
হাদির ওপর হামলার দিনেও ফয়সাল পারিবারিক কারণ দেখিয়ে গাড়ি ভাড়া করতে চান বলে জানান নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, সেদিন তার সব গাড়ি ট্রিপে থাকায় তিনি ফয়সালকে প্রথমে না করে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি তার বন্ধু সুমনের গাড়ি ব্যবস্থা করে দেন।
নুরুজ্জামান বলেন, ফয়সাল প্রথমে গাড়িটি মৎস্য ভবনের সামনে পাঠিয়ে দিতে বলেন। গাড়ি সেখানে পাঠানো হয়। তার ভাষ্যে তখন ফয়সাল বলেন, ‘ভাই একটু সমস্যা। মৎস্য বাজার (ভবন) যাব না। আপনি জুমার পরপরই বিএনপি বাজারে সামনে গাড়িটা পাঠায়ে দিয়েন।’
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, হামলার আগের রাতে ১১ ডিসেম্বর সাভারের গ্রিন জোন রিসোর্টে ছিলেন ফয়সাল ও আলমগীর শেখ। ১২ ডিসেম্বর সকালে সাভার থেকে তাঁরা একটি মোটরসাইকেলে ঢাকায় আসেন। হাদিকে গুলি করার পর আগারগাঁওয়ে ফয়সালের বোনের বাসায় গিয়ে গ্যারেজে মোটরসাইকেলের নম্বর প্লেট পরিবর্তন করেন তাঁরা।
নুরুজ্জামান বলেন, নয় মাস আগে যখন পরিচয় হয় তখন ফয়সালের চুল বড় ছিল, মুখে ছিল মাস্ক। শনিবার সংবাদপত্রে ছোট চুলের ফয়সালকে দেখে তিনি চিনতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, ফয়সাল প্রথমে গাড়িটি মৎস্য ভবনের সামনে পাঠিয়ে দিতে বলেন। গাড়ি সেখানে পাঠানো হয়। তার ভাষ্যে তখন ফয়সাল বলেন, ‘ভাই একটু সমস্যা। মৎস্য বাজার (ভবন) যাব না। আপনি জুমার পরপরই বিএনপি বাজারে সামনে গাড়িটা পাঠায়ে দিয়েন।’
এই ঘটনায় তদন্ত চলছে। আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য তারিখ ধার্য করেছে। এই মামলার বাদী পক্ষ আশা করছে যথাযথ বিচার হবে।



