বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত পার্ক ইয়ং-সিক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন। এই সাক্ষাৎকারে দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে তাদের দেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির ইচ্ছা প্রকাশ করেন।
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য উভয় দেশের মধ্যে একটি সমন্বিত অর্থনৈতিক চুক্তি সাক্ষরিত হবে। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের পণ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাক, দক্ষিণ কোরিয়ার বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশের সুযোগ পাবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত জানিয়েছেন যে তাদের দেশের ইলেকট্রনিকস জায়ান্ট স্যামসাং বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম সম্প্রসারণে আগ্রহী। এর মধ্যে দেশে মোবাইল ফোন উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।
অধ্যাপক ইউনূস জানিয়েছেন যে বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ আকর্ষণে বাংলাদেশ ধারাবাহিক সংস্কার কার্যক্রম হাতে নিয়েছে। তিনি আরও জানিয়েছেন যে বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা হবে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার জন্য উভয় দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়।
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। এটি দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য হ্রাসে সাহায্য করবে। এছাড়াও, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়ে বাংলাদেশের শিল্প খাত উন্নতি লাভ করবে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার জন্য উভয় দেশের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদার করা হবে। এটি দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য সাহায্য করবে।
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য সরকারকে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান স্থাপন, বিনিয়োগ প্রণোদনা প্রদান এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা।
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির ফলে দেশের অর্থনীতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব পড়বে। এটি দেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য সাহায্য করবে। এছাড়াও, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়ে বাংলাদেশের শিল্প খাত উন্নতি লাভ করবে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক গভীর করার জন্য উভয় দেশের মধ্যে নিয়মিত সংলাপ ও সহযোগিতা জোরদার করা হবে। এটি দুই দেশের মধ্যে বিশ্বাস ও সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য সাহায্য করবে। এছাড়াও, উভয় দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় সম্প্রসারণের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।
বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য সরকারকে উভয় দেশের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করতে হবে।



