লক্ষ্মীপুরে নির্বাচনি আচরণবিধি ভঙ্গ করে একটি সমাবেশের আয়োজন করার দায়ে জামায়াতে ইসলামীর এক নেতাকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই সমাবেশে দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার অভি দাশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর) আসনের জামায়াতের প্রার্থীর পক্ষে একটি বাড়িতে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছিল। খবর পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার অভি দাশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালান। সেখানে গিয়ে তারা প্রার্থীকে পাননি, তবে তার এক সমর্থক ছিলেন। সমাবেশ করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এর আগে ৯ ডিসেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠক শেষে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছিল, তফশিল ঘোষণার পর থেকে নির্বাচন পর্যন্ত যে-কোনো ধরনের বেআইনি ও অনুমোদনহীন জনসমাবেশ, জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন আন্দোলন কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। যারা বেআইনিভাবে সভা-সমাবেশে অংশ নেবেন, তাঁদের আইনের আওতায় আনা হবে।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভি দাশ জানিয়েছেন, প্রায় ২০০ লোক নিয়ে জামায়াত প্রার্থীর পক্ষে সমাবেশ করা হয়েছিল। তবে সেখানে গিয়ে প্রার্থীকে পাওয়া যায়নি। তাঁর এক সমর্থক ছিলেন। সমাবেশ করে আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এই ঘটনার পর থেকে লক্ষ্মীপুরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। জামায়াতে ইসলামীর নেতারা এই জরিমানাকে অন্যায় বলে অভিহিত করেছেন। তারা বলেছেন, তারা আইনকে মেনে চলবেন, কিন্তু তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন।
এই ঘটনার পর থেকে লক্ষ্মীপুরের নির্বাচনি পরিস্থিতি কেমন হবে তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা আগ্রহের সাথে পর্যবেক্ষণ করছেন। তারা বলেছেন, এই ঘটনা লক্ষ্মীপুরের নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে।
লক্ষ্মীপুরের নির্বাচনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে একজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক বলেছেন, এই ঘটনা জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তিনি বলেছেন, জামায়াতে ইসলামীর নেতারা এই ঘটনার পর থেকে তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম সতর্কতার সাথে পরিচালনা করবেন।
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের নেতারা এই ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, এই ঘটনা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের জয়ের সম্ভাবনাকে বাড়িয়ে দেবে।
লক্ষ্মীপুরের নির্বাচনি পরিস্থিতি এখন অত্যন্ত উত্তপ্ত। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেছেন, এই ঘটনার পর থেকে লক্ষ্মীপুরের নির্বাচনে কোন দল জয়ী হবে তা এখনও অনিশ্চিত।



