স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে, এমনকি যদি তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকে। নারায়ণগঞ্জের বিকেএমইএ ভবনে এক অনুষ্ঠানের পর এই নির্দেশ দেওয়া হয়। এই অনুষ্ঠানে ছাত্র নেতারা উপদেষ্টার কনভয়কে অবরোধ করে সাতটি দাবি তুলে ধরেন।
এই দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে জুলাই উত্থানের সময় লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার, আওয়ামী লীগের নেতা ও ওসমান পরিবারের সদস্যদের গ্রেফতার, সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার করা, শরীফ ওসমান হাদির উপর হামলার প্রধান আসামির গ্রেফতার এবং পুলিশ স্টেশন ও আদালতকে রাজনৈতিক প্রভাব থেকে মুক্ত রাখা। ছাত্র নেতারা অভিযোগ করেন যে পুলিশ আওয়ামী লীগের অপরাধীদের গ্রেফতার করছে না কারণ তাদের বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই।
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী নারায়ণগঞ্জের এসপি মিজানুর রহমান মুন্সীকে সম্বোধন করে বলেন, আওয়ামী লীগের অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা থাকুক বা না থাকুক, তাদের আইনের আওতায় আনতে হবে। যদি তা না করা হয়, তাহলে পুলিশের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি শরীফ ওসমান হাদির সুস্থতার জন্য দোয়া চান এবং বলেন যে হামলার প্রধান আসামি এখনও গ্রেফতার হননি, তবে হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে।
ছাত্র নেতারা উপদেষ্টাকে তার সাম্প্রতিক মন্তব্য সম্পর্কে প্রশ্ন করেন, যেখানে তিনি লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধারের বিষয়ে আলোচনা করেন। উপদেষ্টা ব্যাখ্যা করেন যে সেই মন্তব্যটি একটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুষ্ঠানে করা হয়েছিল এবং কৃষকদের উদ্বেগের সাথে সম্পর্কিত ছিল। তিনি বলেন যে অন্যান্য বিষয় সপ্তাহে আলোচনা করা হয়।
এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে বলে মনে করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপটি দেশের আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে উন্নতি আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।



