আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রধান প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলী ১৩ বছর আগে অপহরণের পর নিহত হয়েছেন। তিনি তার অফিসে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় এই তথ্য জানান। এর আগে মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বলপূর্বক অন্তর্ধান ও হত্যার মামলায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনা হয়েছে।
তাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তদন্তে জানা গেছে যে জিয়াউল আহসান বিএনপি নেতা চৌধুরী আলম, শিবির নেতা গোলাম কিবরিয়া মিহিন ও হাফিজ জাকিরসহ অনেকের অন্তর্ধানের পিছনে ছিলেন। তিনি বলেন, তাদের তথ্য অনুযায়ী, জিয়াউল আহসানের নির্দেশে ১০০ জনেরও বেশি মানুষকে অপহরণ করে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও তারা ৩০০ থেকে ৫০০ জনের হত্যার তথ্য পেয়েছে, যা তারা এখন যাচাই করছে। এদের মধ্যে বিএনপি নেতা সাজিদুল ইসলাম সুমনও রয়েছেন।
তাজুল ইসলাম বলেন, ইলিয়াস আলীকে রাস্তায় অপহরণ করে পরে হত্যা করা হয়েছে। এছাড়াও তিনি জানান, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদকে অপহরণ করে ভারতে পাচার করা হয়েছে, যার পিছনেও জিয়াউল আহসান জড়িত ছিলেন। ইলিয়াস আলী ২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল রাতে তার ড্রাইভার আনসারের সাথে নিখোঁজ হন। তিনি সিলেট বিভাগের সংগঠন সম্পাদক এবং জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তিনি সিলেট-২ আসন থেকে দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
এই মামলায় আরও তদন্ত চলছে। আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে। এই মামলার বিচার শেষে অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হবে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এই মামলায় বিচার হলে অপরাধীরা শাস্তি পাবে। তারা আরও বলছেন, এই ধরনের অপরাধ রোধ করতে হলে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এই ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা প্রদান করা উচিত।
এই মামলার বিচার শেষে অপরাধীদের শাস্তি দেওয়া হবে। এই ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, এই মামলায় বিচার হলে অপরাধীরা শাস্তি পাবে।



