ইংল্যান্ডের মেট্রোপলিটন এবং গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ বাহিনী ঘোষণা করেছে যে, তারা ‘গ্লোবালাইজ দ্য ইন্তিফাদা’ স্লোগান দেওয়া এবং এই ধরনের প্ল্যাকার্ড বহনকারী ব্যক্তিদের গ্রেফতার করবে। এই স্লোগানটি আরবি ভাষায় ‘ইন্তিফাদা’ শব্দের অর্থ ‘বিদ্রোহ’।
সোমবার সিডনির বন্ডি বিচে সংঘটিত গুলি চালানোর ঘটনার পর পুলিশ বাহিনী এই ঘোষণা দিয়েছে। তারা বলেছে, সহিংস ঘটনা ঘটেছে, পরিস্থিতি পরিবর্তিত হয়েছে – শব্দের অর্থ এবং পরিণতি রয়েছে। আমরা সিদ্ধান্তমূলকভাবে কাজ করব এবং গ্রেফতার করব।
পুলিশ বাহিনী অক্টোবর মাসে ম্যানচেস্টার সিনাগগে হামলার ঘটনার উল্লেখ করেছে। ইংল্যান্ডের প্রধান র্যাব্বি বিবিসিকে বলেছেন, ‘গ্লোবালাইজ দ্য ইন্তিফাদা’ স্লোগান দেওয়া এই দুটি হামলার জন্য দায়ী।
পুলিশ বাহিনী বলেছে, আমরা জানি যে সম্প্রদায়গুলি ‘গ্লোবালাইজ দ্য ইন্তিফাদা’ স্লোগান এবং এই ধরনের প্ল্যাকার্ড বহনকারীদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। ভবিষ্যতে প্রতিবাদ বা লক্ষ্যবস্তু করে এই স্লোগান ব্যবহার করা হলে তাদের গ্রেফতার হতে হবে।
পুলিশ বাহিনী লন্ডন এবং গ্রেটার ম্যানচেস্টারে সিনাগগ, স্কুল এবং সম্প্রদায়ের ভেন্যুগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়িয়েছে। সোমবার অস্ট্রেলিয়ার ইহুদি সম্প্রদায়ের উপর হামলায় ১৫ জন নিহত এবং অনেকে আহত হয়েছে।
ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী কেয়ার স্টারমার পার্লামেন্টে ঘোষণা করেছেন যে, তার সরকার ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য ২৮ মিলিয়ন পাউন্ড বরাদ্দ করেছে। তিনি বলেছেন, আমি এটা করতে খুশি, কিন্তু আমি এটা করতে দুঃখিত।
লিবারেল ডেমোক্র্যাট নেতা স্যার এড ডেভি প্রশ্ন করেছেন, ইহুদি বিদ্বেষ বাস্তব, বিষাক্ত এবং আমাদের সবাইকে এটা দূর করার জন্য একসাথে কাজ করতে হবে।
ইন্তিফাদা শব্দটি ফিলিস্তিনি বিদ্রোহের সময় জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
পুলিশ বাহিনী বলেছে, তারা এই বিষয়ে সতর্ক এবং সিদ্ধান্তমূলকভাবে কাজ করবে। তারা পাবলিক অর্ডার আইনের অধীনে ক্ষমতা ব্যবহার করবে এবং লন্ডনের সিনাগগগুলিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়াবে।
এই ঘটনার পর ইংল্যান্ডের ইহুদি সম্প্রদায় ভয়ভীত। তারা নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনীর উপর নির্ভর করছে।
পুলিশ বাহিনী বলেছে, তারা এই বিষয়ে সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। তারা সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কথা মাথায় রেখে কাজ করছে.
এই ঘটনার পর ইংল্যান্ডের সরকার ইহুদি সম্প্রদায়ের নিরাপত্তার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানোর পাশাপাশি সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করছে।
এই ঘটনা ইংল্যান্ডের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তারা নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বাহিনীর উপর নির্ভর করছে এবং সরকারের পদক্ষেপের জন্য অপেক্ষা করছে.
পুলিশ বাহিনী বলেছে, তারা এই বিষয়ে সতর্কতা অবলম্বন করছে এবং সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কথা মাথায় রেখে কাজ করছে। তারা নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সম্প্রদায়ের সাথে কাজ করছে।
এই ঘটনা ইংল্যান্ডের স



