ভেনেজুয়েলা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি বন্ধ করার জন্য একটি নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছেন। ভেনেজুয়েলা বিশ্বের বৃহত্তম প্রমাণিত তেল সঞ্চয়ের দেশ, এবং এর সরকারি ব্যয় অর্থায়নের জন্য তেল রপ্তানি থেকে আয়ের উপর খুব বেশি নির্ভরশীল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা ভেনেজুয়েলার সরকারী তেল সংস্থা পিডিভিএসএ-কে লক্ষ্য করে, যার ফলে ভেনেজুয়েলার সরকার ‘ভূত জাহাজ’ ব্যবহার করে তেল রপ্তানি করছে। এই ‘ভূত জাহাজ’ গুলি কী এবং কীভাবে কাজ করে তা জানা গুরুত্বপূর্ণ।
গত সপ্তাহে, ভেনেজুয়েলার জলসীমায় বা দেশটির দিকে যাত্রা করছে এমন ৮০টি জাহাজের মধ্যে ৩০টি মার্কিন নিষেধাজ্ঞার আওতায় ছিল। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই জাহাজগুলিকে লক্ষ্য করে একটি ‘সম্পূর্ণ এবং সম্পূর্ণ অবরোধ’ ঘোষণা করেছেন।
ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ২০১৯ সাল থেকে কার্যকর। সেই বছর, ভেনেজুয়েলার ক্রুড তেল রপ্তানি জানুয়ারিতে প্রায় ১.১ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে কমে ৪৯৫,০০০ ব্যারেলে নেমে এসেছে। কিন্তু এখন, ভেনেজুয়েলার তেল রপ্তানি আবার বেড়েছে, নভেম্বর মাসে প্রায় ৯২০,০০০ ব্যারেল পর্যন্ত।
এই ‘ভূত জাহাজ’ গুলি কীভাবে কাজ করে তা জানা গুরুত্বপূর্ণ। এগুলি বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম লুকায়। ভেনেজুয়েলার সরকার এই ‘ভূত জাহাজ’ গুলি ব্যবহার করে তেল রপ্তানি করার চেষ্টা করছে, কিন্তু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ করার চেষ্টা করছে।
ভেনেজুয়েলা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়বে কিনা তা দেখার বিষয়। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, ভেনেজুয়েলার ‘ভূত জাহাজ’ গুলি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে দেশটির তেল রপ্তানি করার চেষ্টায়।
ভেনেজুয়েলার তেল শিল্পে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রভাব কতটা হবে তা দেখার বিষয়। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, ভেনেজুয়েলার ‘ভূত জাহাজ’ গুলি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে দেশটির তেল রপ্তানি করার চেষ্টায়।
ভেনেজুয়েলা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়বে কিনা তা দেখার বিষয়। কিন্তু একটা বিষয় নিশ্চিত, ভেনেজুয়েলার ‘ভূত জাহাজ’ গুলি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে দেশটির তেল রপ্তানি করার চেষ্টায়।



