সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেধা মূল্যায়ন পরীক্ষা এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে হাইকোর্ট। এই পরীক্ষা ২১, ২২, ২৩ এবং ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
একটি রিট পিটিশনের পরবর্তী শুনানির পর বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি মোহাম্মদ আশিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেয়। কেরানীগঞ্জ পাবলিক ল্যাবরেটরি স্কুলের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ফারুক হোসেন এবং দুইজন অভিভাবক ১০ ডিসেম্বর এই রিট পিটিশন করেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ১১ নভেম্বর একটি স্মারক জারি করে পরীক্ষার সময়সূচি ঘোষণা করে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন করা হয়। হাইকোর্ট এই সিদ্ধান্তকে এক মাসের জন্য স্থগিত করে এবং সরকারকে জানতে চায় কেন এই সিদ্ধান্তটি অবৈধ ঘোষণা করা উচিত নয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ১৭ জুলাই একটি স্মারক জারি করে বলে যে শুধুমাত্র সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। ২০২৫ সালের প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা ২১ থেকে ২৪ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে রিট পিটিশন করা হয়। চূড়ান্ত শুনানির পর হাইকোর্ট ৩ নভেম্বর এই সিদ্ধান্তকে অবৈধ ঘোষণা করে। হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় যে বৃত্তি পরীক্ষা ২০০৮ সালের প্রাথমিক বৃত্তি নীতি অনুসারে অনুষ্ঠিত হবে। এই নীতি অনুসারে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর পরবর্তীতে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে।
শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জন্য পরামর্শ হলো যে তারা পরীক্ষার সময়সূচি ও ফলাফল নিয়মিত চোখ রাখবেন। এছাড়াও তারা সরকারি ওয়েবসাইট ও শিক্ষা সংক্রান্ত সংবাদপত্র মনোযোগ সহকারে পড়ার চেষ্টা করবেন।
শিক্ষা ব্যবস্থায় এই ধরনের পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই সকলকে সচেতন থাকতে হবে এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করতে হবে।



