গৃহযুদ্ধ পরামর্শদাতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা বা না করা প্রার্থীর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। নারায়ণগঞ্জের বিকেএমইএ অফিসে এক অনুষ্ঠানে তিনি এক প্রশ্নের জবাবে এই কথা বলেন।
তিনি বলেন, কে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে বা কে অংশগ্রহণ করবে না, এটা একটি ব্যক্তিগত বিষয়। আমরা এ বিষয়ে কিছু বলতে পারি না। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ মাসুদুজ্জামান মাসুদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দেওয়ার পর এই মন্তব্য করেন তিনি।
গৃহযুদ্ধ পরামর্শদাতা বলেন, নিরাপত্তা একটি বিস্তৃত ধারণা। আপনারা সবাই আজ এখানে আছেন। আপনারা নিরাপত্তার কারণে আসতে পারতেন না। এটা একটি ব্যক্তিগত বিষয়। কেন তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন না, তা হয়তো তদন্তমূলক সাংবাদিকতা খুঁজে বের করতে পারে।
ভারতের সাথে সম্পর্কিত নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা আগেও তাদেরকে ডেকেছি। পররাষ্ট্র বিষয়ে এটা একটি সাধারণ অভ্যাস যে যদি এক পক্ষ ডেকে, অন্য পক্ষও ডেকে।
গৃহযুদ্ধ পরামর্শদাতা ইনকিলাব মঞ্চের শরিফ ওসমান হাদির সুস্থতার জন্য দোয়া চান। তিনি বলেন, ইনকিলাব মঞ্চের শরিফ ওসমান হাদি সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার সুস্থতার জন্য দোয়া করুন, যাতে তিনি আমাদের কাছে ফিরে আসতে পারেন। তিনি একজন জুলাই যোদ্ধা এবং দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছেন।
দিনের শুরুতে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারক সমিতি (বিকেএমইএ) এক অনুষ্ঠানে ছয়টি গাড়ি দিয়েছে – জেলা পুলিশ ও শিল্প পুলিশকে তিনটি করে। এই অনুষ্ঠানে গৃহযুদ্ধ পরামর্শদাতা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী খোদা বকস চৌধুরী, অতিরিক্ত আইজিপি (শিল্প পুলিশ) গাজী জাসিম উদ্দিন, ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, অতিরিক্ত ডিআইজি (শিল্প পুলিশ) মোঃ আসাদুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জের ডিসি রাইহান কবির এবং সুপারিন্টেন্ডেন্ট।
নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ মাসুদুজ্জামান মাসুদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দেওয়ার পর গৃহযুদ্ধ পরামর্শদাতার এই মন্তব্য একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব সম্পর্কে বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে।
গৃহযুদ্ধ পরামর্শদাতার মন্তব্য থেকে বোঝা যায় যে সরকার নির্বাচনে প্রার্থীদের অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। তবে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দেওয়ার পর দলটির ভাবমূর্তির উপর প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।
এই ঘটনার পর বিএনপি ও সরকারের মধ্যে সম্পর্কের উপরও প্রভাব পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দেওয়ার পর দলটি কীভাবে পরিস্থিতি পরিচালনা করবে, তা নিয়ে সবার নজর রয়েছে।
এই ঘটনার পর নির্বাচনের ফলাফলের উপরও প্রভ



