আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ দাখিল করেছে। এই অভিযোগ দাখিলের ঘটনাটি গত বুধবার ঘটেছে।
প্রসিকিউশনের পক্ষে প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী এই অভিযোগ দাখিল করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন প্রসিকিউটর মঈনুল করিম। প্রসিকিউশন সূত্রে জানা গেছে, এই অভিযোগের ওপর ট্রাইব্যুনালে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে বর্তমানে একাধিক মামলার তদন্ত চলমান। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের শাসনামলে সংঘটিত গুম-নির্যাতন এবং শাপলা চত্বরে গণহত্যার দায়সহ বেশকিছু গুরুতর অভিযোগ রয়েছে, যা এখন বিচারিক প্রক্রিয়ার অংশ।
ট্রাইব্যুনালের তথ্য অনুযায়ী, গুমের একটি সুনির্দিষ্ট মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ জানুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে। গত ১১ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনাল-১ এই আদেশ দিয়েছিলেন।
ওই মামলায় মোট ১১ জন আসামির মধ্যে চারজনের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। তারা হলেন—ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ ও জিয়াউল আহসান।
উল্লেখ্য, এই আসামিদের মধ্যে জিয়াউল আহসান বর্তমানে কারাগারে আটক রয়েছেন।
এ ছাড়া শাপলা চত্বরের গণহত্যার ঘটনায় দায়ের করা অপর একটি মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে আগামী ১২ জানুয়ারির মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশনা দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। ওই মামলাতেও জিয়াউল আহসানকে অন্যতম আসামি করা হয়েছে।
পরবর্তী আদালতের শুনানি অপেক্ষায় রয়েছে এই মামলার আসামিদের। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে তারা মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সম্মুখীন হতে পারেন।
এই মামলার বিচারকার্য শেষে আসামিদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে। তবে এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার জন্য প্রসিকিউশনকে তথ্যপ্রমাণ দিতে হবে।
এই মামলার বিচারকার্য চলমান থাকার কারণে আসামিদের পরিবার অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। তারা আশা করছেন যে বিচারকার্য সত্বর শেষ হবে এবং তাদের প্রিয়জনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে।
এই মামলার বিচারকার্য সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে পরবর্তী শুনানিতে। ততক্ষণ পর্যন্ত আসামিদের পরিবার অপেক্ষায় থাকবেন।
এই মামলার বিচারকার্য সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে পরবর্তী শুনানিতে। ততক্ষণ পর্যন্ত আসামিদের পরিবার অপেক্ষায় থাকবেন।
এই মামলার বিচারকার্য সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে পরবর্তী শুনানিতে। ততক্ষণ পর্যন্ত আসামিদের পরিবার অপেক্ষায় থাকবেন।
এই মামলার বিচারকার্য সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে পরবর্তী শুনানিতে। ততক্ষণ পর্যন্ত আসামিদের পরিবার অপেক্ষায় থাকবেন।
এই মামলার বিচারকার্য সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে পরবর্তী শুনানিতে। ততক্ষণ পর্যন্ত আসামিদের পরিবার অপেক্ষায় থাকবেন।
এই মামলার বিচারকার্য সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়া যাবে পরবর্তী শুনানিতে। ততক্ষণ পর্যন্ত আসামিদের পরিবার অপেক্ষায় থাকবেন।
এই মামলার ব



