আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের জন্য দুটি ভিন্ন ব্যালট পেপার থাকবে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গণভোটের ব্যালট পেপার গোলাপি রঙের এবং জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার সাদা রঙের হবে।
উভয় ব্যালটে সিল ব্যবহার করে ভোট দিতে হবে। তারপর সেগুলো একই বক্সে ফেলতে হবে। পোস্টাল ব্যালটের ক্ষেত্রে ভোটাররা গণভোটের ব্যালট পেপারে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পাশে নির্ধারিত ঘরে টিক বা ক্রস চিহ্ন দিয়ে ভোট দেবেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচন কমিশন গণভোট-সংক্রান্ত একটি বিস্তারিত পরিপত্র জারি করেছে। এতে গণভোটের প্রশ্ন, ভোটগ্রহণের সময়সূচি, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের নিয়োগ, ভোটগ্রহণ পদ্ধতি, ফলাফল প্রস্তুত ও প্রকাশ, ফলাফল একত্রীকরণ এবং গেজেট প্রকাশসংক্রান্ত বিষয়গুলো উল্লেখ করা হয়েছে।
গণভোটে ভোটাররা ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত প্রস্তাবসমূহের প্রতি ভোট দেবেন। এই গণভোটের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক ভূমিকা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।
নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভোটগ্রহণ চলবে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত, বিরতিহীনভাবে। এই নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক দৃশ্যপট গঠিত হবে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের জন্য নির্বাচন কমিশন সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এই নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমৃদ্ধ করবে।
এই নির্বাচন ও গণভোটের ফলাফল দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে। নির্বাচন কমিশনের প্রচেষ্টায় দেশের সকল নাগরিককে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট পরিবর্তন হতে পারে। এই নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমৃদ্ধ করবে।
নির্বাচন কমিশন সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। এই নির্বাচন ও গণভোটে ভোটারদের সক্রিয় অংশগ্রহণ দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে সমৃদ্ধ করবে।



