মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা জানিয়েছে যে দেশটির সাবেক নেত্রী অং সান সু চি ভালো অবস্থায় আছেন। এই বিবৃতি এসেছে তার ছেলের উদ্বেগ প্রকাশের পর, যিনি বলেছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তার খুব কম তথ্য আছে।
মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা তাদের বিবৃতিতে বলেছে যে অং সান সু চি ভালো অবস্থায় আছেন, কিন্তু তারা কোনো প্রমাণ বা বিস্তারিত তথ্য দেননি। এই বিবৃতি এসেছে অং সান সু চির ছেলে কিম আরিসের একটি বিবৃতির পর, যেখানে তিনি বলেছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তার খুব কম তথ্য আছে এবং তিনি আশঙ্কা করছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে।
কিম আরিস বলেছেন যে সামরিক শাসকরা তার মায়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনো স্বাধীন প্রমাণ দেননি, কোনো সাম্প্রতিক ছবি দেননি, কোনো চিকিৎসা যাচাই দেননি এবং কোনো আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষককে দেখার অনুমতি দেননি। তিনি বলেছেন যে যদি তার মায়ের স্বাস্থ্য ভালো থাকে, তাহলে সামরিক শাসকরা এটি প্রমাণ করতে পারে।
অং সান সু চি ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর গ্রেফতার হয়েছিলেন এবং তিনি এখন ২৭ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন। তার ছেলে বলেছেন যে সামরিক শাসকরা তার মায়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে গুজব ছড়াচ্ছে। তিনি বলেছেন যে সামরিক শাসকরা বলেছে যে তার মায়ের স্বাস্থ্য ভালো, কিন্তু তারা কোনো প্রমাণ দেননি।
এই ঘটনাটি মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে। অং সান সু চির স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদ্বেগ বাড়ছে এবং সামরিক শাসকরা তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনো স্বাধীন প্রমাণ দেননি। এই ঘটনাটি মিয়ানমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক লক্ষণ।
মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা অং সান সু চির স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনো স্বাধীন প্রমাণ দেননি, যা তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অং সান সু চির ছেলে বলেছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তার খুব কম তথ্য আছে এবং তিনি আশঙ্কা করছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। এই ঘটনাটি মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে।
মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা অং সান সু চির স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনো স্বাধীন প্রমাণ দেননি, যা তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অং সান সু চির ছেলে বলেছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তার খুব কম তথ্য আছে এবং তিনি আশঙ্কা করছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। এই ঘটনাটি মিয়ানমারের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের জন্য উদ্বেগজনক লক্ষণ।
মিয়ানমারের সামরিক শাসকরা অং সান সু চির স্বাস্থ্য সম্পর্কে কোনো স্বাধীন প্রমাণ দেননি, যা তার স্বাস্থ্য সম্পর্কে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। অং সান সু চির ছেলে বলেছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য সম্পর্কে তার খুব কম তথ্য আছে এবং তিনি আশঙ্কা করছেন যে তার মায়ের স্বাস্থ্য খারাপ হতে পারে। এই ঘটনাটি মিয়ানমারের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলবে।



