গত দিন হাদি হত্যা চেষ্টার প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ একটি গাড়ি ভাড়া নিয়েছিল। তিনি গাড়িটি ছয় হাজার টাকায় ভাড়া নিয়েছিলেন। পরের দিন সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে তিনি রমনার একটি স্থান থেকে মানিকগঞ্জের শাতুরিয়া উপজেলায় যাওয়ার কথা বলেছিলেন।
তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ফয়সাল গাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন নুরুজ্জামান নামের একজনের কাছ থেকে। নুরুজ্জামান একটি গাড়ি ভাড়া ব্যবসায়ী। ফয়সাল তার সাথে নয় মাস আগে পরিচিত হয়েছিলেন। ফয়সাল প্রায়ই নুরুজ্জামানের কাছ থেকে গাড়ি ভাড়া নিতেন।
হাদি হত্যা চেষ্টার ঘটনায় ফয়সালের সহযোগী আলমগীরও জড়িত ছিলেন। তারা উভয়েই গাড়িতে উঠেছিলেন এবং পরে গাড়িটি গাজীপুরের কালামপুর থেকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে যাওয়ার জন্য রাস্তা পরিবর্তন করেছিলেন। ফয়সাল গাড়িটির ভাড়ার জন্য দশ হাজার টাকা দিয়েছিলেন।
হাদি বর্তমানে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল। তার ভাই জানিয়েছেন, হাদির অবস্থা প্রাথমিক পরীক্ষার পর সামান্য খারাপ হয়েছিল, কিন্তু এখন তার অবস্থা স্থিতিশীল। তার আরেকটি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন, কিন্তু তার অবস্থা এখনও অস্ত্রোপচারের জন্য উপযুক্ত নয়।
এই ঘটনায় জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ফয়সাল এবং তার সহযোগীরা হাদির উপর হামলা করার জন্য পরিকল্পনা করেছিলেন। তারা হাদির উপর হামলা করার জন্য গাড়িটি ভাড়া নিয়েছিলেন।
এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, তারা এই ঘটনায় জড়িত সকল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন।
হাদি হত্যা চেষ্টার ঘটনায় রয়েছে অনেক প্রশ্ন। এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই ঘটনার সমাধান হবে। এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তদন্তকারীরা কাজ করছেন।
হাদি হত্যা চেষ্টার ঘটনায় রয়েছে অনেক উত্তেজনা। এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই ঘটনার সমাধান হবে। এই ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তদন্তকারীরা কাজ করছেন।



