বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে একটি নাটক নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। নাটকটি মুক্তিযুদ্ধের গল্পে রাজাকারের পাঠ নামের ছিল। নাটকে পাঞ্জাবি-টুপি ব্যবহার করা হয়েছিল, যা নিয়ে এক পক্ষ আপত্তি তোলে।
উপজেলা জামায়াতের আমির আবদুর রহিম বলেছেন, পাঞ্জাবি-টুপি পরে অভিনয় করা একজন মুসলমান হিসেবে মেনে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই তারা প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং ব্যাখ্যা জানতে চেয়েছে। পরে ইউএনও ও ওসি সাহেবের মধ্যস্থতায় বিষয়টির সমাধান হয়েছে।
কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মাদ আশরাফ উদ্দিন বলেছেন, এটি একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল। পরে সবাই মিলে বিষয়টি সমাধান করা হয়েছে। রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান বলেছেন, অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে স্বাধীনতাযুদ্ধকালে মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি নাটক মঞ্চস্থ করা হচ্ছিল। নাটকে পাঞ্জাবি-টুপি ব্যবহার করায় এক পক্ষ আপত্তি তোলে। এ নিয়ে কিছুটা কথা-কাটাকাটি হলেও পরে বিষয়টি সমাধান করা হয়।
এই ঘটনাটি রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে পারে। জামায়াত নেতারা এই ঘটনাটিকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করতে পারে। অন্যদিকে, সরকার এই ঘটনাটিকে তাদের রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে পারে।
এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। রাজনৈতিক দলগুলোকে এই ঘটনাটিকে সঠিকভাবে মোকাবেলা করতে হবে। তাদের এই ঘটনাটিকে তাদের রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার না করে দেশের স্বার্থে কাজ করতে হবে।



