গাজায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কড়া ভাষায় গোপন বার্তা পাঠিয়েছে হোয়াইট হাউস। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গাজায় এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির মধ্যস্থতা করেছিলেন।
গাজা নগরীতে ইসরায়েলের চালানো হামলায় হামাসের সামরিক শাখার উপকমান্ডার রায়েদ সাদ নিহত হওয়ার পরই এই গোপন বার্তাটি পাঠানো হয়েছে। হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে নেতানিয়াহুকে পাঠানো বার্তায় সরাসরি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়, ‘আপনি যদি আপনার সুনাম নষ্ট করতে চান এবং দেখাতে চান যে আপনি চুক্তি মানেন না, তবে সেটি আপনার বিষয়। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যেহেতু গাজায় চুক্তির মধ্যস্থতা করেছেন, সে ক্ষেত্রে আমরা তার সুনাম নষ্ট হতে দেব না।’
গত ১০ অক্টোবর থেকে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হলেও এর মধ্যেই গত শনিবার এক বিমান হামলায় এই জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হন। এর আগেও তাকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল একাধিকবার হত্যাচেষ্টা চালিয়েছিল। উল্লেখ্য যে, এই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বারবারই চুক্তি লঙ্ঘন করে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। যুদ্ধবিরতি চলাকালীন এসব হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৯১ জন ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ হাজার ৬৩ জন আহত হয়েছেন।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় নিহত ব্যক্তির সংখ্যা ৭০ হাজার ৬০০ ছাড়িয়েছে, যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু। একই সময়ে আহত হয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ১০০–এর বেশি মানুষ। বর্তমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেও হামলা অব্যাহত থাকায় গভীর সংকট তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কড়া বার্তা নেতানিয়াহুকে পাঠানো হয়েছে। এই বার্তায় ইসরায়েলকে যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। এই ঘটনার পর গাজায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ফিলিস্তিনি নেতারা ইসরায়েলের এই হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন।
এই ঘটনার পর গাজায় পরিস্থিতি আরও অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। ফিলিস্তিনি নেতারা ইসরায়েলের এই হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন। এই ঘটনার পর গাজায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ফিলিস্তিনি নেতারা ইসরায়েলের এই হামলাকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করেছেন।



