ভুটানের জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশটির রাজধানী থিম্পুতে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই দিনটি ১৯০৭ সালের একটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে পালিত হয়, যখন ভুটানের সকল স্থানীয় নেতা, যাজক ও জনগণ সর্বসম্মতিক্রমে উগেন ওয়াংচুককে তাদের প্রথম বংশানুক্রমিক রাজা বা ‘ড্রাগন কিং’ হিসেবে নির্বাচিত করেন।
ভুটানের এই দিনটি দেশটির সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিপ্রস্তর। এই দিনে, ভুটানের বর্তমান রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। হাজার হাজার মানুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী রঙিন পোশাক ‘ঘো’ এবং ‘কিরা’ পরে উৎসবে শামিল হন।
ভুটানের জাতীয় দিবস বাংলাদেশের মানুষের কাছেও বিশেষ আবেগের। কারণ, ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ ছিল ভুটান। ভুটানের এই দিনটি আমাদের শেখায়—শান্তি, ঐতিহ্য এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখাই হলো একটি জাতির সত্যিকারের সুখ।
ভুটানের জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশটির রাজধানী থিম্পুর চ্যাংলিমিথাং স্টেডিয়ামে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে ভুটানের বর্তমান রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। হাজার হাজার মানুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী রঙিন পোশাক ‘ঘো’ এবং ‘কিরা’ পরে উৎসবে শামিল হন।
ভুটানের জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে দেশটির রাজধানী থিম্পুতে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এই দিনটি ১৯০৭ সালের একটি ঐতিহাসিক ঘটনার স্মরণে পালিত হয়, যখন ভুটানের সকল স্থানীয় নেতা, যাজক ও জনগণ সর্বসম্মতিক্রমে উগেন ওয়াংচুককে তাদের প্রথম বংশানুক্রমিক রাজা বা ‘ড্রাগন কিং’ হিসেবে নির্বাচিত করেন।
ভুটানের এই দিনটি দেশটির সার্বভৌমত্ব ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিপ্রস্তর। এই দিনে, ভুটানের বর্তমান রাজা জিগমে খেসার নামগিয়েল ওয়াংচুক জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। হাজার হাজার মানুষ তাদের ঐতিহ্যবাহী রঙিন পোশাক ‘ঘো’ এবং ‘কিরা’ পরে উৎসবে শামিল হন।
ভুটানের জাতীয় দিবস বাংলাদেশের মানুষের কাছেও বিশেষ আবেগের। কারণ, ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ ছিল ভুটান। ভুটানের এই দিনটি আমাদের শেখায়—শান্তি, ঐতিহ্য এবং জাতীয় ঐক্য বজায় রাখাই হলো একটি জাতির সত্যিকারের সুখ।



