দিনাজপুরের টেবিল টেনিস খেলার পরিস্থিতি এখন খুবই নাজুক। একসময়ের জাতীয় চ্যাম্পিয়ন নুর জামান এখন অনুশীলনের জায়গা না থাকায় খেলার মান কমে যাচ্ছে।
নুর জামান বলেন, তিনি স্কুলে পড়ার সময় টেবিল টেনিস খেলা শিখেছিলেন। তিনি জেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন এবং ১০ বার জাতীয় টেবিল টেনিস টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন। কিন্তু এখন তার অনুশীলনের জায়গা নেই।
দিনাজপুরের টেবিল টেনিস খেলার ইতিহাস গর্বের। একসময় দিনাজপুরে দুই শতাধিক টেবিল টেনিস খেলোয়াড় ছিলেন। তারা জাতীয় পর্যায়ে খেলেছেন এবং সাফল্য অর্জন করেছেন। কিন্তু এখন অনুশীলনের জায়গা না থাকায় এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে টেবিল টেনিসের সাফল্যগাথা মুখ থুবড়ে পড়েছে।
সচেতন সংঘ দিনাজপুরের টেবিল টেনিসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ১৯৩৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হেমায়েত আলী হলকে কেন্দ্র করে আশির দশকে সংগঠনটি টেবিল টেনিসের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়। দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষকদের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়ে সচেতন সংঘের খেলোয়াড়রা জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য অর্জন করেন।
কিন্তু ২০০৬ সালের পর হেমায়েত আলী হলে অনুশীলন বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে টেবিল টেনিসের সাফল্যগাথা মুখ থুবড়ে পড়েছে। নুর জামান বলেন, তিনি আগামী ৯ জানুয়ারি ঢাকায় জাতীয় টুর্নামেন্টে খেলতে যাচ্ছেন। কিন্তু তার অনুশীলনের জায়গা না থাকায় তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত নন।
দিনাজপুরের টেবিল টেনিসের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। অনুশীলনের জায়গা না থাকায় এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে টেবিল টেনিসের সাফল্যগাথা মুখ থুবড়ে পড়েছে। নুর জামান বলেন, তিনি টেবিল টেনিসের প্রতি তার ভালোবাসা থেকে যায়। কিন্তু অনুশীলনের জায়গা না থাকায় তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত নন।
দিনাজপুরের টেবিল টেনিসের ঐতিহ্য রক্ষা করার জন্য অনুশীলনের জায়গা এবং পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। নুর জামান বলেন, তিনি টেবিল টেনিসের প্রতি তার ভালোবাসা থেকে যায়। কিন্তু অনুশীলনের জায়গা না থাকায় তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত নন।
দিনাজপুরের টেবিল টেনিসের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। অনুশীলনের জায়গা না থাকায় এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে টেবিল টেনিসের সাফল্যগাথা মুখ থুবড়ে পড়েছে। নুর জামান বলেন, তিনি টেবিল টেনিসের প্রতি তার ভালোবাসা থেকে যায়। কিন্তু অনুশীলনের জায়গা না থাকায় তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত নন।
দিনাজপুরের টেবিল টেনিসের ঐতিহ্য রক্ষা করার জন্য অনুশীলনের জায়গা এবং পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। নুর জামান বলেন, তিনি টেবিল টেনিসের প্রতি তার ভালোবাসা থেকে যায়। কিন্তু অনুশীলনের জায়গা না থাকায় তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত নন।
দিনাজপুরের টেবিল টেনিসের ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত। অনুশীলনের জায়গা না থাকায় এবং পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে টেবিল টেনিসের সাফল্যগাথা মুখ থুবড়ে পড়েছে। নুর জামান বলেন, তিনি টেবিল টেনিসের প্রতি তার ভালোবাসা থেকে যায়। কিন্তু অনুশীলনের জায়গা না থাকায় তিনি খেলার জন্য প্রস্তুত নন।
দিনাজপুরের টেবিল টেন



