বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন যে তিনি ২৫ তারিখে দেশে ফিরে আসবেন। এই ঘোষণা তিনি লন্ডনে এক আলোচনা সভায় দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, তার দেশে ফিরে আসার সময় তার অনুরোধ হল কেউ এয়ারপোর্টে না যায়।
তারেক রহমান বলেছেন, তিনি দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে বিভিন্ন সময়ে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে বহু মানুষের সাথে দেখা হয়েছে। তিনি বলেছেন, তার দেশে ফিরে আসার সময় তার অনুরোধ হল কেউ এয়ারপোর্টে না যায়, কারণ এটি একটি হট্টগোল তৈরি করবে এবং দেশের সুনাম নষ্ট হবে।
তারেক রহমান বলেছেন, যারা তার অনুরোধ রাখবেন, তারা দল এবং দেশের স্বার্থে সম্মানের প্রতি মর্যাদা রাখবেন। তিনি বলেছেন, যারা তার অনুরোধ রাখবেন না, তারা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য এয়ারপোর্টে যাবেন।
এই ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। কেউ কেউ তারেক রহমানের ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন, অন্যদিকে কেউ কেউ এর সমালোচনা করেছেন।
তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার ঘোষণা বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে এক নতুন মোড় নিয়ে আসতে পারে। এই ঘোষণার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং ব্যক্তিত্ব তাদের পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবেন।
তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার ঘোষণা এক নতুন রাজনৈতিক অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপট কেমন হবে তা দেখার জন্য সবাই উদ্বিগ্ন।
তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার ঘোষণা এক নতুন আশার সঞ্চার করতে পারে। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কেমন পরিবর্তন আসবে তা দেখার জন্য সবাই আগ্রহী।
তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার ঘোষণা এক নতুন সম্ভাবনার সূচনা করতে পারে। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কেমন উন্নয়ন ঘটবে তা দেখার জন্য সবাই উদ্বিগ্ন।
তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার ঘোষণা এক নতুন যুগের সূচনা করতে পারে। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কেমন পরিবর্তন আসবে তা দেখার জন্য সবাই আগ্রহী।
তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার ঘোষণা এক নতুন সময়ের সূচনা করতে পারে। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কেমন উন্নয়ন ঘটবে তা দেখার জন্য সবাই উদ্বিগ্ন।
তারেক রহমানের দেশে ফিরে আসার ঘোষণা এক নতুন রাজনৈতিক দৃশ্যপটের সূচনা করতে পারে। এই ঘোষণার পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক দৃশ্যপটে কেমন পরিবর্তন আসবে তা দেখার জন্য সবাই আগ্রহী।



