কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের ঐচারচর গ্রামের কৃষক আবদুস সাত্তার জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহার করে বিষমুক্ত আগাম বাঙ্গি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। তিনি নিজের ১৫ শতক জমিতে আগাম জাতের বাঙ্গি চাষ করেন, যার খরচ হয় প্রায় ২ হাজার ৫০০ টাকা। এই জমি থেকে ইতিমধ্যে তিনি ৬০ হাজার টাকার বাঙ্গি বিক্রি করেছেন।
আবদুস সাত্তার জানান, তিনি জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফসল আবাদ করেন। এ ব্যাপারে তিনি একাধিকবার প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। তাঁর আবাদ করা সব ফসলই বিষমুক্ত। তিনি বলেন, ছোটবেলা থেকে বাবার সঙ্গে কৃষিকাজ করতেন তিনি। জীবিকার তাগিদে ২৫ বছর বয়সে সৌদি আরবে যান।
আবদুস সাত্তারের সাফল্যের গল্পটি অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি বলেন, ১০ টাকা দিয়ে কেনা এক প্যাকেট বাঙ্গির বীজ তাঁকে নতুন পথ দেখায়। ৭ শতক জমিতে বাঙ্গি চাষ করে ৪০ হাজার টাকা বিক্রি করেন। তিনি বলেন, তিনি জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ফসল আবাদ করেন।
আবদুস সাত্তারের সাফল্যের গল্পটি কৃষকদের জন্য একটি অনুপ্রেরণা। তিনি বলেন, কৃষকদের উচিত জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসল আবাদ করা। এটি তাদের জন্য একটি ভালো উপায় হতে পারে তাদের জীবিকা উন্নত করার। আবদুস সাত্তারের সাফল্যের গল্পটি আমাদের সকলকে অনুপ্রেরণা দেয় যে কৃষিকাজ করে আমরা সফল হতে পারি।
আবদুস সাত্তারের সাফল্যের গল্পটি আমাদের সকলকে শিক্ষা দেয় যে কৃষিকাজ করে আমরা সফল হতে পারি। তিনি বলেন, কৃষকদের উচিত জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসল আবাদ করা। এটি তাদের জন্য একটি ভালো উপায় হতে পারে তাদের জীবিকা উন্নত করার। আবদুস সাত্তারের সাফল্যের গল্পটি আমাদের সকলকে অনুপ্রেরণা দেয় যে কৃষিকাজ করে আমরা সফল হতে পারি।
আবদুস সাত্তারের সাফল্যের গল্পটি আমাদের সকলকে শিক্ষা দেয় যে কৃষিকাজ করে আমরা সফল হতে পারি। তিনি বলেন, কৃষকদের উচিত জৈবপ্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসল আবাদ করা। এটি তাদের জন্য একটি ভালো উপায় হতে পারে তাদের জীবিকা উন্নত করার। আবদুস সাত্তারের সাফল্যের গল্পটি আমাদের সকলকে অনুপ্রেরণা দেয় যে কৃষিকাজ করে আমরা সফল হতে পারি।



