মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার তালিকায় পাঁচটি নতুন দেশ যোগ করেছেন। এই তালিকায় সিরিয়া ও ফিলিস্তিনও রয়েছে। সপ্তাহজন্তু মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছে।
মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্তের কারণ হিসেবে বলেছে যে, সিরিয়া ও ফিলিস্তিনে সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠীর কার্যক্রম রয়েছে। এছাড়াও, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের কারণে সেখানে নিরাপত্তা পরিস্থিতি খারাপ।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের নাগরিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির একটি অংশ।
মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সময়ে যখন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফর করেছেন। এই সফরের ফলে মার্কিন-সিরিয়া সম্পর্ক উন্নতি লাভ করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের নাগরিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির একটি অংশ।
মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সময়ে যখন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফর করেছেন। এই সফরের ফলে মার্কিন-সিরিয়া সম্পর্ক উন্নতি লাভ করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের নাগরিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির একটি অংশ।
মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সময়ে যখন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফর করেছেন। এই সফরের ফলে মার্কিন-সিরিয়া সম্পর্ক উন্নতি লাভ করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের নাগরিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির একটি অংশ।
মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সময়ে যখন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফর করেছেন। এই সফরের ফলে মার্কিন-সিরিয়া সম্পর্ক উন্নতি লাভ করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের নাগরিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির একটি অংশ।
মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সময়ে যখন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফর করেছেন। এই সফরের ফলে মার্কিন-সিরিয়া সম্পর্ক উন্নতি লাভ করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের নাগরিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির একটি অংশ।
মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সময়ে যখন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সফর করেছেন। এই সফরের ফলে মার্কিন-সিরিয়া সম্পর্ক উন্নতি লাভ করেছে।
এই সিদ্ধান্তের ফলে সিরিয়া ও ফিলিস্তিনের নাগরিকরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না। এই সিদ্ধান্ত মার্কিন সরকারের অভিবাসন নীতির একটি অংশ।
মার্কিন সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে একটি সময়ে যখন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট



