বাংলাদেশে চিনি ও খাদ্যতেলের আমদানি বেড়েছে এই অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে। বিদেশি মুদ্রার সরবরাহ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমে যাওয়ার কারণে এই বৃদ্ধি হয়েছে।
বাংলাদেশ চিনি, পামতেল, সয়াবিনতেল এবং গমের জন্য প্রায় সম্পূর্ণভাবে আমদানিতে নির্ভরশীল। বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশটি তার বার্ষিক চিনি চাহিদার ৯৫ শতাংশেরও বেশি আমদানি করে।
বাংলাদেশ ব্যুরো অফ স্ট্যাটিস্টিক্সের তথ্য অনুযায়ী, এই অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে পরিশোধকরা ৮.২৩ লাখ টন কাঁচা চিনি আমদানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৮৭ শতাংশ বেশি।
বিশ্বব্যাংকের পণ্য মূল্য তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে চিনির দাম এই অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে ৩৬ সেন্ট প্রতি কিলোগ্রামে নেমে এসেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪৩ সেন্ট প্রতি কিলোগ্রাম।
ঢাকায় চিনির দাম টাকা ৯৫ থেকে টাকা ১১০ প্রতি কিলোগ্রাম, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯ শতাংশ কম।
পামতেলের আমদানিও বেড়েছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪০ শতাংশ বেশি। এই অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে পামতেলের আমদানি ৭.৪৪ লাখ টন।
সয়াবিনতেলের আমদানি এই অর্থবছরের প্রথম ত্রৈমাসিকে কমেছে, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪২ শতাংশ বেশি ছিল।
বাংলাদেশের খাদ্যতেলের বার্ষিক চাহিদা ২২ লাখ টন। এই চাহিদা মেটাতে দেশটি প্রায় সম্পূর্ণভাবে আমদানিতে নির্ভরশীল।
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই আমদানি বৃদ্ধি একটি ভালো লক্ষণ। কিন্তু দেশটির উচিত নিজস্ব উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করা, যাতে আমদানিতে নির্ভরশীলতা কমানো যায়।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য এই আমদানি বৃদ্ধি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু দেশটির উচিত সতর্কতার সাথে এই আমদানি ব্যবস্থাপনা করা, যাতে দেশটির অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকে।
বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য এই আমদানি বৃদ্ধি একটি চ্যালেঞ্জও। কারণ দেশটির উচিত নিজস্ব উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কাজ করা, যাতে আমদানিতে নির্ভরশীলতা কমানো যায়। এছাড়াও, দেশটির উচিত সতর্কতার সাথে এই আমদানি ব্যবস্থাপনা করা, যাতে দেশটির অর্থনীতি স্থিতিশীল থাকে।



